অনলাইন শিক্ষণ ও বিনোদনের সুযোগের পাশাপাশি ইন্টারনেটের অন্ধকার জগত শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠছে। অনলাইনে অপরিচিতদের সাথে যোগাযোগ, ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস ও সাইবার নিপীড়নের শিকার হতে পারে অপ্রাপ্তবয়স্করা।
সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিভাবকদের উচিত শিশুর ডিজিটাল কার্যক্রমে কড়া নজরদারির বদলে বন্ধুত্বপূর্ণ খোলামেলা সম্পর্ক তৈরি করা, যাতে কোনো সমস্যা হলে শিশু ভয়ে লুকিয়ে না রেখে অভিভাবককে জানাতে পারে।
স্কুলগুলোতে ডিজিটাল শিষ্টাচার ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক নিয়মিত কর্মশালা আয়োজন করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।


