সীমানা নির্ধারণের পর বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে এসেছে বিশাল সমুদ্র এলাকা। অথচ এতদিন আমাদের মাছ শিকার কেবল উপকূলের অগভীর পানিতেই সীমাবদ্ধ ছিল। এবার প্রথমবারের মতো আধুনিক গভীর সমুদ্রের ট্রলার ও গবেষণা জাহাজ টুনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামুদ্রিক প্রজাতি আহরণ শুরু করেছে।
উপকূলীয় অঞ্চলে ঔষধি গুণসম্পন্ন সি-উইড বা সামুদ্রিক শৈবাল চাষে উপকূলের নারীরা স্বাবলম্বী হচ্ছেন। আন্তর্জাতিক বাজারে এই শৈবালের বিপুল চাহিদা রয়েছে খাদ্য ও প্রসাধনী শিল্পে।
ব্লু-ইকোনমির এই অপার সম্ভাবনা কাজে লাগানো গেলে জাতীয় জিডিপিতে এটি অন্যতম প্রধান প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হতে পারে।


