বছরের পর বছর ধরে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা ফেরত না দেওয়া 'ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের' তালিকা করে চূড়ান্ত সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে আর্থিক খাত নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ।
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ভুয়া কোম্পানি খুলে বা বন্ধকি সম্পত্তির অতিমূল্যায়ন দেখিয়ে নেওয়া ঋণের বিপরীতে এখন সরাসরি ফরেনসিক অডিট চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে বহু প্রভাবশালীর পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে এবং বিদেশে অর্থ পাচারের তথ্য আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থার মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সাধারণ আমানতকারীদের জমানো অর্থের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই কঠোর নীতি অর্থনীতিতে বড় ধরনের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা।



