ঘুমের অভাব কেবল ক্লান্তিই আনে না, এটি দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস, স্থূলতা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে ফেলার কারণ হতে পারে। ঘুমের সময় আমাদের শরীরের কোষগুলো পুনর্গঠিত হয় এবং মস্তিষ্ক স্মৃতি বিন্যাস সম্পন্ন করে।
বিশেষজ্ঞরা স্লিপ হাইজিন বা ঘুমের পরিবেশ ঠিক রাখার পরামর্শ দেন। ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে স্মার্টফোন ও ল্যাপটপ বন্ধ রাখা উচিত, কারণ স্ক্রিনের নীল আলো মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণে বাধা সৃষ্টি করে।
একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং সকালে নির্দিষ্ট সময়ে ওঠার রুটিন মেনে চললে অনিদ্রার সমস্যা দ্রুত দূর হয়।


