বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন ও অভিনেত্রী জয়া বচ্চন ১৯৭৩ সালের ৩ জুন বিয়ে করেন। ব্যবসাসফল ‘জঞ্জির’ সিনেমির বিশাল সাফল্যের পর দুজন তাঁদের সম্পর্ককে বিয়ে রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। প্রায় পাঁচ দশক পরেও জয়-অমিতাভের প্রেম ও হঠাৎ বিয়ের গল্প সিনেমাপ্রেমীদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে।
জয়ার বাড়িতে গিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা করেননি অমিতাভ
সম্প্রতি জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র মঞ্চে অমিতাভকে প্রশ্ন করা হয়, বিয়ের আগে জয়ার পরিবারকে কীভাবে রাজি করিয়েছিলেন এবং হবু শাশুড়ির মন কীভাবে জয় করেছিলেন। জয়া তখন উত্তর দেন, জয়ার পরিবারের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে সরাসরি কোনো আনুষ্ঠানিক কথাবার্তা তিনি বলেননি। একদিন হঠাৎ করেই জয়াকে বলেছিলেন, তাঁদের এখন বিয়ে করে নেওয়া উচিত। জয়াও সঙ্গে সঙ্গে প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান।
অমিতাভের বর্ণনা অনুযায়ী, প্রস্তাব পাওয়ার পর জয়া নিজেই বাবা-মায়ের কাছে গিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানান। তবে জয়া সেদিন পরিবারের সঙ্গে ঠিক কী বলেছিলেন, তা তিনি এখনও জানেন না। জয়ার পরিবার প্রথমে এই সম্পর্কে একেবারে রাজি ছিল না। পরে অমিতাভ ও জয়া নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেন এবং ঠিক পরের দিনই বিয়ের পিঁড়িতে বসে পড়েন।
দীর্ঘ প্রস্তুতি নয়, পারস্পরিক সিদ্ধান্তই ছিল মূল কারণ
বর্তমান ডিজিটাল যুগে বিয়ের আগে কয়েক মাস ধরে তারিখ নির্ধারণ, কেনাকাটা ও বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় ব্যস্ত থাকা একটি সাধারণ প্রথা। তবে জয়-অমিতাভের বিয়ে দুই পরিবারের দীর্ঘ প্রস্তুতি বা আলোচনার ওপর নির্ভর করে হয়নি। দুজনের পারস্পরিক সম্মতি ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তেই সবকিছু এগিয়ে গিয়েছিল।
অমিতাভ বলেছেন, দুটি মানুষ যদি মন থেকে একে অপরকে আপন করে নেয়, তবে তার চেয়ে বড় আর কিছু হতে পারে না। তাঁর এই বক্তব্যেই ফাঁস হয়েছে জয়-অমিতাভের বিয়ের আসল কারণ—পরিবারকে আগে রাজি করার চেষ্টা নয়, বরং দুজনের নিজস্ব সিদ্ধান্তকেই সবার আগে বেছে নেওয়া।



-6ab6c786d4aaf.jpg)
