এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে নতুন একটি স্বর্ণপদকের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ১১ বছর বয়সী জাপানি গেমার ইউকি কুরিহারার নাম। ই-স্পোর্টসের পুইও পুইও চ্যাম্পিয়নসে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তিনি এখন মহাদেশীয় আসরের সবচেয়ে কমবয়সী পদকজয়ী খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
এক গোল পিছিয়ে জেলা দশ গোলের ব্যবধান
ফাইনালে দক্ষিণ কোরিয়ার কাং দং-শিনের বিপক্ষে প্রথমে ইউকি এক গোলে পিছিয়ে ছিলেন। দ্বিতীয়ার্ধে তিনি আক্রমণে গিয়ে অনেকটা সুযোগ সৃষ্টি করেন। ধীরে ধীরে ব্যবধান কমিয়ে আনা ইউকি শেষ পর্যন্ত ১০-২ ব্যবধানে জয় লাভ করেন।
জয়ের পর ইউকি বলেন, সত্যি কথা বলতে তিনি একটু লজ্জা অনুভব করছিলেন, তাই মুখের ভাব খুব বেশি বদলাতে পারেননি। সোনার পদক হাতে নিয়ে তিনি বলেন, “আমি খুব খুশি। পদকটা সত্যিই সুন্দর, চকচকে আর ভারী।”
প্রথম শ্রেণিতেই শুরু, পেশাদানে পা রাখা
পুইও পুইও একটি পাজল ধাঁচের ডিজিটাল গেম। এতে খেলোয়াড়রা আগে ছোট, নিয়ন্ত্রিত স্ক্রিনে রঙিন বল জুড়ে দেওয়ার কাজ করেন এবং পরে সেগুলো স্ক্রিন থেকে সরিয়ে দেখেন। ইউকি প্রথম শ্রেণিতে থাকতেই গেমটি শুরু করেন। পরবর্তীতে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ধারাবাহিকভাবে জিততে থাকেন।
২০২৬ সালের এপ্রিলে তিনি পেশাদার লাইসেন্স পান। এরপর বয়সিক প্রতিযোগিতায় এবং বড় খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে নিয়মিত জয়লাভ করতে থাকেন। গেমসের আগে তিনি জানিয়েছিলেন, স্কুল, অতিরিক্ত ক্লাস ও ই-স্পোর্টস একসঙ্গে চালিয়ে যাওয়া কঠিন। তবি ও ব্যবস্থাটি তিনি উপভোগ করেন। গ্রীষ্মের ছুটিতে বেশি অনুশীলন করে পরবর্তী সময়ের জন্য নতুন দক্ষতা তৈরির পরিকল্পনাও করেছিলেন।
অসম্পূর্ণ তথ্যে রেকর্ডের দাবি
এশিয়ান গেমসের পুরো ইতিহাসে সবচেয়ে কমবয়সী পদকজয়ীদের তালিকা সংরক্ষিত না থাকায় ইউকির রেকর্ড নিয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। জানা খবরে ২০১৮ সালে জাকার্তায় ১২ বছর বয়সী ইন্দোনেশিয়ার বুঙ্গা নিমাস মেয়েদের স্কেটবোর্ডিংয়ে ব্রোঞ্জ জেতেন। এর তিন বছর আগে হ্যাংজোতে ১৩ বছর বয়সী কুই চেনসি মেয়েদের স্ট্রিট স্কেটবোর্ডিংয়ে সোনা অর্জন করেছিলেন। তাই বর্তমান তথ্যের ভিত্তিতে ১১ বছরের ইউকির স্বর্ণজয়কে অসাধারণ এবং সম্ভাব্যভাবে ইতিহাসের নতুন রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।



-6ab89819deb66.jpg)

