শুরুতেই পিছিয়ে পড়ল বাংলাদেশ
ফিফা আসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরু থেকেই স্বাগতিকরা বল নিয়ন্ত্রণ করে আক্রমণে সম্পৃক্ত হলেও বাংলাদেশ নিজেদের অর্ধ থেকে বের হয়ে পালটা আক্রমণ সাজানোর সুযোগ পায়নি। ফলে প্রথমার্ধেই দুই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়ে লাল-সবুজের দল।
ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই মালয়েশিয়া প্রথম গোলের সুযোগ পেয়েছিল। কর্নার থেকে আসা বলে জোরালো শট ওঠালেও বাংলাদেশের গোলরক্ষক মেহেদী হাসান শ্রাবণ দ্রুত প্রতিক্রিয়ায় বলটি বাইরে চালিয়ে দেন। তবে ১৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে পাওয়া বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন মালয়েশিয়ার আরিফ আইমান। তপু বর্মণের আটকানোর চেষ্টা ব্যর্থ হলেও শ্রাবণ তার শট ঠেকাতে পারেননি; ফলে মালয়েশিয়া এগিয়ে যায়।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে মালয়েশিয়া আরও একটি গোল করে বাংলাদেশকে পাঁচ করে পিছিয়ে দেয়। ৩৮ মিনিটে তপু বর্মণের ভুল পাস থেকে বল পেয়ে আরিফ আইমান সেটিকে কাজে লাগান এবং দ্বিতীয় গোল করেন। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ আক্রমণে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করলেও ৫২ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ে। ডান দিক থেকে আসা বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ব্রাজিলে জন্ম নেওয়া মালয়েশিয়ান ফরোয়ার্ড বার্গসন গুস্তাভোর শট থেকে তৃতীয় গোল আসে। শটে খুব বেশি গতি না থাকলেও শ্রাবণ তা ঠেকাতে পারেননি।
তবে ম্যাচের শেষার্ধে বাংলাদেশের সুযোগ ছিল বলে বহাল লাগেনি। ৭৬ মিনিটে সতীর্থের বাড়ানো বল নিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন হামজা চৌধুরী। সামনে ছিলেন কেবল মালয়েশিয়ার গোলরকিপার। হামজার প্রথম শট গোলরকিপার ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে নিয়ে আবার শট করেন বাংলাদেশের এই মিডফিল্ডার। কিন্তু সেই প্রচেষ্টাও কর্নারের বিনিময়ে রুখে যায়।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-০ গোলের হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় বাংলাদেশকে। এই লজ্জার পরাজনের মধ্য দিয়েই ফিফা আসিয়ান কাপের অভিযান শুরু হয়েছে থমাস ডুলির দলের। দ্বিতীয়ার্ধে কিছু আক্রমণের চেষ্টা দেখালেও শেষের দিকে বাংলাদেশ চাপ এড়াতে পারেনি এবং আক্রমণের কার্যকরতা ছাড়াই ম্যাচটি শেষ হয়েছে।




