দেশে প্রাথমিকভাবে চারটি ডিজিটাল ব্যাংককে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় প্রস্তাবিত চারটি ডিজিটাল ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট বা এলওআই প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
অনুমোদনপ্রাপ্ত নতুন চারটি প্রতিষ্ঠান হলো বিকাশ, বুস্ট-রবি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে এবং নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার। পর্ষদের সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। এর আগে কড়ি নামে একটি ডিজিটাল ব্যাংককে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।
একই ধরনের লাইসেন্সের আবেদন করেছিল ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক। এখন পর্যন্ত মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছে।
আওয়ামী সরকারের আমলে ২০২৩ সালের অক্টোবরে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসিকে অনুমোদন দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক দুই প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল লাইসেন্স স্থগিত করে। বর্তমান অনুমোদনপ্রাপ্ত তালিকায় কড়িকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে দেশে পাঁচটি ডিজিটাল ব্যাংক অনুমোদনের স্বীকৃতি পাওয়ার কথা উল্লেখযোগ্য।
ডিজিটাল ব্যাংকিং খাতে নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমোদন দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক ডিজিটালাইজেশনের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করা যায়। তবে লেটার অব ইনটেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণ ও চূড়ান্ত লাইসেন্স প্রাপ্তির প্রক্রিয়ার অংশ।



