এশিয়ান গেমসে কাবাডি টুর্নামেন্টে 'এ' গ্রুপে বাংলাদেশ, ভারত, জাপান, চায়নিজ তাইপে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার মতো শক্তিশালী দল অংশ নিয়েছে। গ্রুপ পর্যায়ে চার ম্যাচে জয় পেয়েও সেমিফাইনালে পাড়ি দিতে পারেননি বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্যায়ের চূড়ান্ত ম্যাচগুলোতে ভারত ও চায়নিজ তাইপের মধ্যে তীব্র লড়াই চলে, যা বাংলাদেশের স্বপ্নকে আরও কঠিন করে তুলল। শেষ ম্যাচে ভারত চায়নিজ তাইপেকে ৩৭-২১ পয়েন্টে হারাল, আর বাংলাদেশের বিপরীতে ভারতের জয় ছিল ৪৮-২৫, ফলে ব্যবধান বাড়ে।
গ্রুপ পর্যায়ে তিন ম্যাচে বাংলাদেশ ১১০ পয়েন্ট করে দিয়েছে আর ১৩৫ পয়েন্ট দিয়েছে, ব্যবধান -২৫। অন্যদিকে চায়নিজ তাইপে ১০২ পয়েন্ট করে দিয়েছে আর ১১৫ পয়েন্ট দিয়েছে, ব্যবধান -১৩। অর্থাৎ, তাইপে বাংলাদেশের চেয়ে অপেক্ষাকৃত ভালো ব্যবধান রক্ষ করে। তাই সেমিফাইনালে উঠে চায়নিজ তাইপে পদক নিশ্চিত করে। জাপান দক্ষিণ কোরিয়াকে ৬৫-৩২ পয়েন্টে হারায়, কিন্তু কোরিয়ার ম্যাচ বাদ পড়ায় জাপানের ব্যবধান -২৬, ফলে অঙ্কের দৌড়ে পিছিয়ে পড়ে।
এই ফলাফল অবশ্যই দুঃখজনক ছিল বাংলাদেশি অভিনয়কর্তোদের জন্য। দুই দশক আগে এশিয়ান গেমসে কাবাডি পদক জিতেছিল বাংলাদেশ, কিন্তু সেখান থেকে পুনরায় পদক পাওয়ার স্বপ্ন ভেঙে গেল। দলটি এখন খালি হাতে ফিরছে, আর তাতে ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য গভীর চিন্তায় ভুগছেন কোচ ও প্রশিক্ষকরা। প্রতিটি খেলোয়াড় ও সমর্থকরা এই ব্যর্থতা থেকে শিখে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণের আশাবাদ ব্যক্ত করছেন।
সংবাদটি প্রকাশ করেছেন আবদুল হাই শিকদার, প্রকাশক সালমা ইসলাম। এই খবর যুগান্তর কর্তৃক প্রকাশিত। পাঠকদের মনোযোগের মধ্যে রয়েছে যে, এই ফলাফল বাংলাদেশি কাবাডির উন্নয়নের দিকে ইঙ্গিত করবে, বিশেষ করে যুব প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিযোগিতায় আরও শক্তিশালী করার জন্য। ভবিষ্যৎতে এশিয়ান গেমস ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ আবারই মাঠে হাজির হবে সংগঠিত ও প্রস্তুত হয়ে।
অবশ্যই এই ব্যর্থতা কোনো মাত্রায় দলগত পরাজয় নয়, বরং এটি একটি শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতা। প্রতিটি খেলোয়াড় ও সমর্থকরা এই অভিজ্ঞতা থেকে শিখে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণের আশাবাদ ব্যক্ত করছেন। আগামী বছরের এশিয়ান গেমস ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ আবারই মাঠে হাজির হবে সংগঠিত ও প্রস্তুত হয়ে।

-6ab5d8eba9ce5.jpg)

