বলিউড অভিনেতা বিবেক ওবেরয়ে ২০০৩ সালে এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে সালমান খানের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ এনেছিলেন। এরপর থেকে তাদের সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে, যা অভিনেতার ক্যারিয়ারেও বড় প্রভাব ফেলেছিল। তবে ২০২৬ সালে আজ এসে সময়ের চাকা ভিন্ন মোড় নেয়।
সাম্প্রতি 'ক্যানসার পেশেন্টস এইড অ্যাসোসিয়েশন' আয়োজিত একটি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিবেক ওবেরয়ে। সেখানে সালমানের প্রতিবাদের প্রসঙ্গ উঠতেই অভিনেতা বলেন, ট্রলিং একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর মানসিকতা। এজাতীয় নেতিবাচক চর্চা থেকে সবার দূরে থাকা উচিত। তিনি বলেন, জীবনে ইতিবাচক অনেক সুন্দর কাজ করার আছে। অযথা কেন আমরা কারও ব্যক্তিগত জীবন কিংবা শারীরিক গঠন নিয়ে মন্তব্য করব?
এই ইস্যুতে অতীতের সব তিক্ততা ভুলে ভাইজান সালমান খানের প্রতিবাদে পঞ্চমুখ হন বিবেক ওবেরয়। বলিউড তারকারা অতীতে অম্লমধুর সম্পর্ক থাকলেও, নারী ও সহকর্মীর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এক কাতারে দাঁড়িয়েছেন। ভাইজানের এই প্রতিবাদ এবং সাবেকের পুরোনো তিক্ততা ভুলে পাশে দাঁড়ানোর ঘটনাকে ইতিবাচক চোখেও দেখছেন ভক্ত ও বিনোদন বিশ্লেষকরা।
উল্লেখ্য, সাবেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ সন্তান জন্ম দেওয়ার পর শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে তীব্র সমালোচনা। টানা কয়েক মাস ধরে তার ওজন বৃদ্ধি নিয়ে কটাক্ষ থমকছেই না। সম্প্রতি আম্বানি পরিবারের গণপতি উৎসবে যোগ দেওয়ার পর তা যেন আরও ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। তবে নীরব না থেকে সাবেকের পক্ষে প্রকাশ্য মঞ্চেই আওয়াজ তুলেছেন ভাইজান সালমান খান। 'বিগ বস'-এর মঞ্চে অভিনব কায়দায় প্রতিবাদ জানিয়ে নেটিজেনদের ট্রলিংয়ের কড়া জবাব দেন তিনি।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সম্পূর্ণ বলিউড ও সংস্কৃতি জগতে এক নতুন মডেল গঠনের সম্ভাবনা রচিত হয়েছে। যেখানে অতীতের তিক্ততা ভুলে সহকর্মীর পাশে দাঁড়ানো এবং নারীর সম্মান বজায় রাখা একটি প্রতিষ্ঠা হিসেবে দেখা যায়। ভবিষ্যৎ কালে আশা করা যায় যেন এমনই একটি সংস্কৃতি গঠিত হয় যেখানে সমর্থন আর ঐক্য বেশি থাকবে।


-6ab4f28b10984.jpg)