শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) টাউনসভিলে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় মুখোমুখি হবে বিশ্বকাপের শেষ পর্বে আঘাতজনিত ব্রাজিল ও অস্ট্রেলিয়া। এটি দুজনের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর। দুই দলই নতুন লক্ষ্য নিয়ে পথচলা শুরু করছে।
দল পুনর্গঠনের সময়ে বড় পরিবর্তন
বিশ্বকাপের পর ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি বড় ধরনের পরিবর্তন আনার আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার ডাগআউটে টনি পপোভিচের নেতৃত্বে ২৫ সদস্যের দল ঘোষণা করা হয়েছে। ব্রাজিলের দলে প্রথমবার জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন ১০ ফুটবলার।
চেলসির তরুণ ফরোয়ার্ড হোয়াও পেদ্রো ও এস্তেভাওকে দলে ফিরিয়েছেন আনচেলত্তি। নতুন মুখ হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন গোলরক্ষক পেদ্রো মরিসকো ও ওতাভিও, ডিফেন্ডার মাউরো জুনিয়র এবং মিডফিল্ডার ব্রেনো বিদন ও গ্যাব্রিয়েল বন্তেম্পোসহ বেশ কয়েকজন। আক্রমণভাগে থাকছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রাফিনিয়া। মাঝমাঠে আর্সেনালের ব্রুনো গুইমারেসের সঙ্গে রক্ষণভাগে দায়িত্ব সামলাবেন গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস ও মারকিনিওস।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও বড় পরিবর্তন
অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াডেও দেখা গেছে বড় পরিবর্তন। বিশ্বকাপের দলে থাকা ১০ খেলোয়াড় এবার জায়গা পাননি। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ও অধিনায়ক ম্যাট রায়ান। নেই ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ান ভলপাটও, যিনি চলতি মাসে কোকেন পরীক্ষায় পজিটিভ হওয়ার পর জরিমানার মুখে পড়েছিলেন। চোটের কারণে দলে নেই নরউইচ সিটির স্ট্রাইকার মোহামেদ তোরে।
ভবিষ্যৎ টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি
বিশ্বকাপ-পরবর্তী নতুন বাস্তবতায় দুই দলই এখন ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছে। অস্ট্রেলিয়ার সামনে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে রয়েছে এশিয়ান কাপ। তার আগে ব্রাজিলের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ নতুন খেলোয়াড় ও কৌশল যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠতে পারে। আনচেলত্তির ব্রাজিলও অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচগুলো কাজে লাগিয়ে নতুন দলটির শক্তি ও সম্ভাবনা যাচাই করতে চাইবে।
দুই দলের মধ্যে রববার (২৭ সেপ্টেম্বর) আগামী মঙ্গলবার ব্রিসবেনে আর একটি ম্যাচ হবে। এই ম্যাচগুলো কেবল প্রস্তুতিমূলক লড়াই হিসেবে দেখা হচ্ছে না; বরং নতুন খেলোয়াড় ও কৌশল যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ সুয়োগ হিসেবেও দেখা যাচ্ছে।

-6ab609b1901e7.jpg)



