বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচেই ব্রাজিলকে চ্যালেঞ্জে ছুঁতে পেরেছে অস্ট্রেলিয়া। টাউনসভিলে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার আগে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে গেলেও যোগ করা সময়ের শেষ দিকে ব্রাজিল সমতা আনিয়ে ম্যাচটি ১-১ গোলে অসমাপ্ত করে।
ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে নেস্টরি ইরানকুন্দা দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যান। এরপর কার্লো আনচেলত্তির শিষ্য ব্রাজিল একাধিক সুযোগ পেলেও সমতা ফেরাতে পারেনি। এক গোলের পিছথাকা সামলাতে না পারলে ম্যাচটি হারের ঝুঁকিতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করেছিলেন অনেক ব্রাজিলীয় সমর্থক।
তবে নির্ধারিত সময়ের পর পঞ্চম মিনিটে ব্রাজিলের জন্য আশা ফিরে আসে। রাফিনিয়ার নিখুঁত কর্নার থেকে জোরালো হেডে বল জালে ঢুকিয়ে রায়ান সমতা আনেন। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক হাত দিয়ে বল ঠেকানোর চেষ্টা করেও তিনি ব্যর্থ হন। বল ক্রসবার ছোঁয়ার পর গোললাইনের ওপর দিয়ে জালের ভেতরে চলে যায়।
এই সমতা ব্রাজিলকে সম্ভাব্য ঐতিহাসিক জয়ের হাত থেকে বাঁচিয়ে দেয়, তবে উচ্চমাপ্পের ম্যাচের কাঙ্ক্ষিত ফলাফলও মেলেনি। বিশ্বকাপ-পরবর্তী নতুন বাস্তবতায় ব্রাজিলের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তোলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দুই দলের এই সাক্ষাতেই ছিল বিশ্বকাপের পর নতুন স্কোয়াড, নতুন খেলোয়াড় ও বদলানো কৌশলের প্রথম পরীক্ষা।
ব্রাজিলের আসন্ন প্রোগ্রামেও রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আরেকটি ম্যাচ এবং ৩ অক্টোবর কলকাতায় ভারতের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ। ঘোষিত ২৬ সদস্যের দলে বিশ্বকাপের স্কোয়াড থেকে মাত্র নয় জনকে রাখা হয়েছে, ফলে নতুন খেলোয়াড়দের সুযোগ বেশি। অন্যদিকে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য আশিয়ান কাপের প্রস্তুতি ভিন্ন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য। তাই আসন্ন দুই প্রীতি ম্যাচ দুই দলের নতুন দলকে ঝালাই করার ক্ষেত্র হিসেবে গুরুত্ব পেতে পারে।



