শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

অর্থনীতি ও বাণিজ্য

বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে অনুমোদন পেল চারটি ডিজিটাল ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি ডিজিটাল ব্যাংককে প্রাথমিক অনুমোদন দিয়ে লেটার অব ইনটেন্ট প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে দেশে ডিজিটাল ব্যাংক অনুমোদনের সংখ্যা সরকারি হিসাবে পাঁচটি পৌঁছেছে।

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১২ পিএমসর্বশেষ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১২ পিএম
বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে অনুমোদন পেল চারটি ডিজিটাল ব্যাংক

দেশে প্রাথমিকভাবে চারটি ডিজিটাল ব্যাংক অনুমোদন পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় প্রস্তাবিত চারটি ডিজিটাল ব্যাংককে লেটার অব ইনটেন্ট বা এলওআই প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।

কোন কোন ব্যাংক পেল অনুমোদন

নতুন অনুমোদন পাওয়া চারটি ডিজিটাল ব্যাংক হলো বিকাশ, বুস্ট-রবি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে এবং নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার। এর আগে কড়ি নামে একটি ডিজিটাল ব্যাংক অনুমোদন পাওয়ায় বর্তমানে দেশে পাঁচটি ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন রয়েছে বলে গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।

ডিজিটাল ব্যাংক স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।

আগের অনুমোদন ও লাইসেন্স স্থগিত

আওয়ামী সরকারের আমলে ২০২৩ সালের অক্টোবরে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি নামে দুটি ডিজিটাল ব্যাংক অনুমোদন দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই দুই প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল লাইসেন্স স্থগিত করে। বর্তমানে নতুন চারটি প্রতিষ্ঠানকে এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে ডিজিটাল ব্যাংকিং খাতে নতুন করে অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

ডিজিটাল ব্যাংক অনুমোদনের এই ধাপকে দেশের ব্যাংকিং খাতে ডিজিটাল চ্যানেলের বিস্তার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। তবে অনুমোদন ও লাইসেন্স এবং লেটার অব ইনটেন্টের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। ব্যাংকগুলোর পরবর্তী ধাপে লাইসেন্স প্রাপ্তি ও কার্যক্রম শুরু করতে কী কী শর্ত পূরণ করতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রকী সংস্থার ও খাতগত নিয়মের ওপর নির্ভর করবে।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📬 প্রতিদিনের বাছাইকৃত খবর সরাসরি ইমেইলে পান

আমাদের বিনামূল্যে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সাবস্ক্রাইব করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ