বিশ্ববাজারে স্পট স্বর্ণের দাম বৃহস্পতিবার দশমিক ১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ২৮১ দশমিক ৯৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বিবরণ অনুযায়ী, দিনের ব্যবহারিকার বাজারে স্বর্ণের দরপতনের ফলে মূল্যবান ধাতুটির ওপর কেনাবেচায় কিছুটা চাপ পড়েছে।
ফেডের নীতি ঘনিষ্ঠ হওয়ার আশায় দামে চাপ
যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ আরও কঠোর মুদ্রানীতি গ্রহণ করতে পারে—এমন প্রত্যাশার কারণেই স্বর্ণের দামে চাপ তৈরি হয়েছে। সাধারণত সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা থাকলে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের আকর্ষণ কমে যায়। ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে টাকা পরিবর্তনের বদলে স্বর্ণে অর্থ বিনিয়োগের আগ্রাম কমতে পারে।
তেলের দাম কমায় সীমিত হয়েছে দরপতন
অপরিশোধিত তেলের দাম কমে যাওয়ায় স্বর্ণের ওপর চাপ কিছুটা সীমিত হয়েছে। তেলের দাম কমলে মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ কমতে পারে বলে বাজারে আশা তৈরি হয়, যা স্বর্ণের দামকে সমর্থন দিয়েছে। তবে ফেডারেল রিজার্ভের নীতি সংক্রান্ত প্রত্যাশা প্রবল থাকায় স্বর্ণের দাম বৃহস্পতিবার কিছুটা কমেছে।
ডিসেম্বরের ফিউচার দর প্রায় অপরিবর্তিত
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য স্বর্ণের ফিউচার দর প্রায় অপরিবর্তিত ছিল। এসময় প্রতি আউন্সের দর ছিল ৪ হাজার ৩১৭ দশমিক ৫০ ডলার। স্পট ও ফিউচার দামের মধ্যে এই পার্থক্য থাকায় স্বর্ণের ভবিষ্যৎ বাজারমূল্য নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মতভেদ তৈরি হয়েছে।
রয়টার্সের বিবরণ অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা যায়নি। মুদ্রানীতির প্রত্যাশা ও তেলের দাম—এই দুই বিষয়ের বিরাম প্রভাবের মধ্যে থাকায় বাজারে স্বর্ণের দাম সীমিত পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।




