মুম্বাইর ঐতিহ্যবাহী 'লালবাগচা রাজা'র গণেশ দরবারে গোবিন্দ ও নতুন প্রেমিকা কোমল রানী স্বর্ণকার একসাথের দৃশ্য নজরেপড়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় বন্দি হওয়া এই ভিডিওটি দ্রুতই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে। দরবারে গোবিন্দ সাদা কুর্তা-পায়জামায় দেখা দিয়েছিলেন, আর কোমল রানী স্বর্ণকার ঐতিহ্যবাহী লাল-হলুদ শাড়িতে। গণপতি মণ্ডপে পৌঁছাতেই গোবিন্দ 'গণপতি বাপ্পা মোরিয়া' স্লোগান দিয়েছিলেন এবং প্রেমিকা কোমল হাত নিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন।
এই একসাথের দৃশ্যের পেছনে আছে গত আগস্টে মুম্বাই বিমানবন্দরে প্রথমবার একসাথে দেখা যাওয়ার ঘটনা। সেই থেকে শুরু হয়েছে গোবিন্দ-কোমল রানীর প্রেম নিয়ে চর্চা। তবে দুজনেই এ পর্যন্ত সম্পর্কের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেননি। তবে বিষয়টিকে ত্বরাক্ষেপ করেছেন গোবিন্দর স্ত্রী সুনীতা আহুজা নিজেই। সম্প্রতি তিনি গোবিন্দকে ইঙ্গিত করে মন্তব্য করেন, 'মেয়ের বয়সি একজনের সঙ্গে ঘুরে বাড়ছেন' এবং তাকে 'সুগার ড্যাডি' বলেও কটাক্ষ করেন।
আশ্চর্যের ব্যাপার, গণেশদরবারে আসার ঠিক কিছুক্ষণ আগে গোবিন্দ একা এসে প্রার্থনা সেরে যান স্ত্রী সুনীতা আহুজার সঙ্গে। তবে পরে গোবিন্দ ও কোমল রানী স্বর্ণকার একসাথে দরবারে হাজির হওয়ায় গুঞ্জন আরও গরম হয়ে ওঠে। এছাড়াও সম্প্রতি অভিনেত্রী রাখী সাওয়ান্তের সঙ্গে এক ফোনালাপে গোবিন্দপত্নী দাবি করে বলেছিলেন যে গোবিন্দ ও কোমল রানী বিয়ের পরিকল্পনা করছেন। যদিও গোবিন্দর ম্যানেজার শশী সিনহা এ দাবিকে পুরোপুরি অস্বীকার করে বলেছেন, 'দ্বিতীয় বিবাহের কোনো প্রশ্নই ওঠে না'।
এদিকে গোবিন্দ-সুনীতা আহুজার বিবাহবন্ধন ১৯৮৭ সালে গড়ে তুলতে পারে। দীর্ঘ সংসার জীবনের পর ২০২৫ সালে তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন জোরালো হয় এবং সুনীতা আহুজা আদালতের দ্বারস্থ হন বলে জানা যায়। তবে পরবর্তীতে গণেশচতুর্দশী একসাথে উদযাপন করে সেই গুঞ্জন ইতি টানে। ২০২৬-এ এসে বিচ্ছেদের আবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করে নেয় সুনীতা আহুজা। এই প্রেক্ষাপটে গোবিন্দ-কোমল রানীর একসাথের দৃশ্য আরও এক নতুন অধ্যায় খুলে দেয়।


-6ab4ee056bba9.jpg)
