পর্যায়ক্রমে গড়ে ওঠা একটি তীব্র আইনি সংকটের মুখোমুখি পড়েছেন মরক্কোর জাতীয় ফুটবল দলের ডিফেন্সার আশরাফ হাকিমি। গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা দিয়েছেন যে, ফ্রান্সের সর্বোচ্চ আইনি আদালত কোর্ট অব ক্যাসেশন হাকিমির আপিল বাতিল করে দিয়েছে। এর ফলে তিনি ধর্ষণ অভিযোগে বিচারালয়ে গিয়েছেন এবং বাকি রয়েগেছেন শুধু আইনি প্রতিবাদে।
মামলাটির ভিত্তি রয়েছে ২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বুলোন-বিলঁকুরে হাকিমির বাসভবনে এক তরুণীর সাথে ঘটে যাওয়া এক দুর্ঘটনায়। সেই তরুণী পরবর্তীতে হাকিমির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। অভিযোগ গঠিত হওয়ের পাঁচ দিনের মধ্যেই হাকিমি তা অস্বীকার করেন। আইনি প্রক্রিয়ার প্রথম পর্যায়ে তার আইনজীবীরা মামলাটি খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন, যা ভার্সাইয়ের আপিল আদালত গত বছরের ১৯ জুন তা খারিজ করে দেন।
এখন হাকিমি যে আপিল করেছিলেন তা রিভিউ করেছেন কোর্ট অব ক্যাসেশন। আজ পর্যন্ত সেই সংস্থাই তার আপিল বাতিল করেছে। ফলে আইনি প্রক্রিয়ায় এই শেষ চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। প্যারিসের পশ্চিমে অবস্থিত ও-দে-সেন বিভাগীয় অপরাধ আদালতে মামলাটির রিসিট শুরু হবে। এখনও নির্দিষ্ট কোনও তারিখ ঘোষণা করা হয়নি, তবে আগামী বছরই রিসিট শুরু হতে পারে বলে আশা রয়েছে।
পিএসজির তরফে হাকিমির অবস্থান থেকে ম্যাচে অংশগ্রহণের পক্ষে আইনি সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তবে মামলার গুরুত্ব বিশেষ হওয়ায় পিএসজি স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাকে ম্যাচ থেকে দূরে রাখতে চায়। ফুটবল বিশ্বে এই মামলাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাধার গড়ে তুলতে পারে, বিশেষ করে যুরোপীয় ফুটবলে নারীদের নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষার বিষয়টি উঠে এলেও।
এদিকে হাকিমি এখন আইনি প্রক্রিয়ায় যুক্ত একজন ফুটবলার হিসাবে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ পোষ করছেন। তার পরিবার ও আইনজীবীদের মতে হয় যে, মামলাটি প্রতিষ্ঠানগতভাবে তাকে একজন অপরাধী হিসাবে চিহ্নিত করতে পারে। আজ থেকে শুরু হওয়া রিসিট প্রক্রিয়াটি তাকে এবং তার পরিবারকে আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে কী ধরনের ফলাফল দেবে তা নির্ধারণ করবে।

-6ab609b1901e7.jpg)




