শেষ ম্যাচের আগেই নিশ্চিত হলো শীর্ষস্তরে ফেরা
বাংলাদেশের দুই তারকা পেস বোলার হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন ১-এ প্রমোশন নিশ্চিত করেছে কেন্ট কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব। টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচের আগেই দলটির শীর্ষস্তরে ফেরা নিশ্চিত হয়ে গেল। শেষ পর্বে কেন্ট দ্বিতীয় স্থান অক্ষয় করে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন ডারহামের পর দ্বিতীয় স্থানে টুর্নামেন্ট শেষ করে।
গত মৌসুমে পয়েন্ট টেবিলের সবার শেষে থাকা কেন্ট এবার চ্যাম্পিয়নশিপে ফিরে এসে নিজেদের শক্তিসম্পন্ন পরিচয় ঘোষণা করেছে। ২০২৪ সালের পর এই প্রথমবার দলটি আবার ইংল্যান্ডের লাল বলের ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ডিভিশনে খেলবে। শেষ সাত ম্যাচে ধারাবাহিক অসাধারণ পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে কেন্ট সম্ভাব্য কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোনাম থেকে যুক্তি করে হিসেবে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে।
হাসানের অসাধারণ চার ম্যাচ
মৌসুমের শেষভাগে কেন্টের বোলিং আক্রমণের দায়িত্ব বাংলাদেশের দুই ফাস্ট বোলারের ওপর ছিল। লাল বলের পরিবেশে দুজনেই কেন্টের জন্য বিধ্বংসী বোলিং উপহার দেন। হাসান মাহমুদ মাত্র চার ম্যাচে ২৬টি উইকেট লেগে ২৫.৫০ গড়ে অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্স উপস্থাপন করেন। একটি ইনিংসে পাঁচটি উইকেট নেওয়ার কৃতিত্বও তার ওপর রয়েছে।
হাসান প্রতি ম্যাচেই নতুন ও পুরোনো বলে কেন্টকে ব্রেকথ্রু দেওয়ায় দলের বোলিং আক্রমণে গতি এসেছে। তার উইকেটশীল স্পিল দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করেছে। কেন্টের শেষ সাত ম্যাচের সাফল্যে তার এই অসাধারণ ফর্ম ছিল অন্যতম প্রধান কারণ।
খালেদের বোলিংয়েও বিপ্লব
হাসানের পর কেন্টে যোগ দেওয়া বাংলাদেশি আরেক পেসার খালেদ আহমেদও চমৎকার বোলিং করেন। তিনি মাত্র তিন ম্যাচে ১৬টি উইকেট শিকার করেন। নতুন বলের গতি ও সুইংয়ের ওপর নির্ভরশীল বোলিংয়ে খালেদ দলের ব্রেকথ্রু তৈরিতে সক্ষম ভূমিকা রাখেন। হাসান ও খালেদের সমন্বিত পারফরম্যান্সই কেন্টের অবিশ্বাস্য পুনরুত্থানের অন্যতম মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।
দলীয় বোলার হাসান ও খালেদের পাশাপাশি ইংলিশ পেসার ম্যাট মিলনেসও ৫০টির বেশি উইকেট নিয়ে কেন্টের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। উদীয়মান অলরাউন্ডার একানশ সিং একাধিক ম্যাচে দারুণ পারফরম করেন। অপেনার জ্যাক ক্রলেও শেষ ছয় ম্যাচের চারটিতে অর্ধশতক হাঁকিয়ে ব্যাটিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।



