বাংলাদেশি পেস বোলার হাসান মাহমুদ ও খালেদ আহমেদের শক্তিশালী বোলিংয়ের সুবিধায় কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন ১-এ প্রমোশন নিশ্চিত করেছে কেন্ট কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব। টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচের আগেই দলটির শীর্ষ দুই স্থান নিশ্চিত হয়ে যায়। ফলে আগামী মৌসুমে ইংল্যান্ডের লাল বলের ক্রিকেটের শীর্ষস্তরে খেলবে কেন্ট।
এই পুনরুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন দলের অন্যান্য সদস্যদের পাশাপাশি দুই বাংলাদেশি। ইংলিশ পেসার ম্যাট মিলনেস ৫০টিরও বেশি উইকেট নিয়ে দলের সাফল্যে প্রধান ভূমিকা রাখেন। উদীয়মান অলরাউন্ডার একানশ সিংও ধারাবাহিকভাবে মান উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন। ওপেনার জ্যাক ক্রলি মৌসুমের শেষ ছয় ম্যাচের চারটিতে অর্ধশতক হাঁকিয়ে ব্যাটিংয়ে স্থায়ী ভিত্তি তৈরি করেন।
হাসানের অসাধারণ ফর্ম
মৌসুমের শেষভাগে কেন্টের বোলিং আক্রমণের দায়িত্ব বাংলাদেশের দুই ফাস্ট বোলারের ওপর ছিল। কাউন্টির পরিবেশে নতুন ও পুরোনো বলের বিপরীতে দারুণ কার্যকর হয়ে ওঠেন হাসান মাহমুদ। কেন্টের হয়ে মাত্র চার ম্যাচ খেলেই ২৬টি উইকেট লাভ করেন তিনি। প্রতি ম্যাচে গড়ে ২৫.৫০ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি এক ইনিংসে পাঁচ উইকেটের কৃতিত্বও তাঁর।
হাসান প্রতিটি ম্যাচেই ব্রেকথ্রু উপস্থাপন করে ব্যাটিং লাইনকে চাপে ফেলেন। তাঁর ধারাবাহিক উইকেট-শিকার ছিল কেন্টের দ্বিতীয় স্থান অর্জন ও ডিভিশন ১-এ প্রমোশন নিশ্চিত করার অন্যতম প্রধান কারণ। এই সামান্য সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি তারকা দ্রুত নিজেকে প্রমাণ করেছেন।
খালেদের সঙ্গে শেষ সাত ম্যাচে চাপ
হাসানের পর কেন্ট দলে যোগ দেন খালেদ আহমেদ। মাত্র তিন ম্যাচে ১৬টি উইকেট শিকার করে তিনিও দলের বোলিং আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। হাসান ও খালেদের সামগ্রিকভাবে ৪২টি উইকেট এবং কেন্টের শেষ সাত ম্যাচে দুজনের বোলিং টানে ফেলে দলকে প্রমোশনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন ডারহামের পর দ্বিতীয় স্থানে টুর্নামেন্ট শেষ করার সম্ভাবনা রয়েছে কেন্টের। গত মৌসুমে পয়েন্ট টেবিলের সর্বশেষ থাকা দলটি এবার ধারাবাহিকভাবে মাঠে নেমে শীর্ষস্থানের দিকে এগিয়ে গেছে। ২০২৪ সালের পর এবার প্রথমবার ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটের ডিভিশন ১-এ খেলার সুযোগ পেয়েছে কেন্ট।






