কিশোরগঞ্জ শহরের কালিবাড়ী মোড়সংলগ্ন চত্বরে বুধবার দুপুরে জেলা বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সমাবেশে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেশে নৈরাজ্য ও সন্ত্রাস সৃষ্টির যেকোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যারা দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ও রাজনৈতিক মোকাবিলা নেওয়া হবে।
সমাবেশে প্রতিমন্ত্রী বুকের পাটা থাকলে ডিসেম্বর না হয়ে তৎপর ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘ডিসেম্বর নয়, বুকের পাটা থাকলে এখন আসেন। টেক্কা দিতে চান। আমাদের মা-বোনদের বুক খালি করেছেন। আসেন, ফাঁসির কাষ্ঠে ঝোলার জন্য আসেন।’ এই কথাবলে তিনি সরাসরি আগুনে পুড়িয়ে বাস ও চক্র ব্যবহার করে জনগণকে ভয় দেখানোর প্রচেষ্টা করার অভিযোগ এনে দাঁড় করিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে রাজপথে অগ্রসর হয়ে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘আমরা রাজপথে নেতৃত্ব দিয়েছি। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছি। আমরা মানুষের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে এনেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা মানুষকে ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছি।’
বিচার ও আইনশৃত্যের প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আপনাদের আইনের আওতায় এনে জনগণ বিচার করবে। বিচারের জন্য ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাই না। এই মুহূর্তেই বিচারের আহ্বানে আপনারা আসবেন।’ তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পরিবার সারা বাংলাদেশে ঐক্যবদ্ধ আছে এবং জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা হবে।
সম্প্রতি দুটি বাস আগুনে পুড়িয়ে ও একটি চক্র ব্যবহার করে জনগণকে ভয় দেখানোর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়েছেন যে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সৈনিকেরা যেভাবে জনগণকে দেশ থেকে তাড়িয়েছেন, প্রয়োজনে তাদেরও দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেছেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেওয়া হবে না। সমাবেশে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাজহারুল ইসলাম এবং কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিন একরাত্রে বক্তব্য দিয়েছেন।





-6ab66959b519a.jpg)