বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাত গত দশক ধরে উল্লেখযোগ্য গতি অর্জ করে। বিশেষ করে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মতো প্রধান্য শহরে আইটি হাব ও টেক পার্কগুলি স্থাপন করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে উদ্ভাবনী কাজ শুরু হয়েছে। সরকারী উদ্যোগে যুব উদ্যমীদের মধ্যে আইটি সশক্তিকরণ কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা নিয়মিত আয়ায়োজিত হচ্ছে।
ডিসিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার মিশন
সরকারের ‘ডিসিজিটাল বাংলাদেশ’ মিশনের মতো উদ্যোগ দেশকে আইটি খাতে আনন্তর উন্নতির সুযোগ দিয়েছে। এ মিশনের অধীনে ই-গভর্ন্যান্স, ডিজিটাল শিক্ষা, অনলাইন সেবা ও স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা হয়েছে। ফলাফল হিসেবে গণপরিষদ, জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য খাতে ডিজিটাল রূপান্তর করা হয়েছে।
বেসরকারি খাতের দিক থেকে তাজা বিনিয়োগ ও উদ্ভাবনী প্রকল্প বাড়িয়ে দেশটি আইটি খাতে আনন্তর আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। বিশেষ করে ফিনটেক, হেলথটেক ও ই-কমার্সের ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতাযোগ্য হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে এবং দেশটি আইটি আউটসোর্সিংয়ে আনন্তর অগ্রসর হয়েছে।
ভবিষ্যৎ অর্থে বাংলাদেশকে আইটি খাতে আনন্তর উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে সরকারী ও বেসরকারি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে পারে। এ জন্য শিক্ষা ও গবেষণায় বাড়তি বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপর্যায় প্রয়োজন। দেশটি যদি এই ধারাকে অব্যাহত রাখতে পারে তবে আইটি খাতে আনন্তর উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে আন্তর্জাতিক মানের স্থান পাবে।
সংক্ষেপে বলতে গেলে তথ্যপ্রযুক্তি খাত বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে দেশটি আইটি খাতে আনন্তর অগ্রসর হয়ে উঠতে পারে এবং এটি দেশের অর্থনৈপুণ্য বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতে এই খাতকে আরও শক্তিশালী করতে সরকারী সমর্থন ও বেসরকারি উদ্যোগ অপর্যায় প্রয়োজন।

