ইসরাইলের ফুটবলার সাইদ আবু ফারহি নেশনস লিগে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে হারার ম্যাচে গোল উদযাপনের কারণে লাল কার্ড দেখেছেন। ম্যাচটি লিনৎসে অনুষ্ঠিত হয়ে অস্ট্রিয়া ৩-১ গোলে জয়লাভ করে। ফারহি যখন দলকে সমতায় ফেলার গোল করেন, তখন তিনি কর্নার পতাকা দিয়ে বন্দুক চালানোর মতো ভঙ্গি দিয়ে গোল উদযাপন করেন। এই ভঙ্গি আচরণে তাকে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখানো হয়, যা ধীরে লাল কার্ড-এ রূপ নেয়। ফলে তিনি ম্যাচ থেকে বাধ্যতাকরি বের হওয়া হয়।
২০ বছর বয়সী ফারহি কলোরাডো র্যাপিডস থেকে খেলেন। ফুটবলের আনুষ্ঠানিক নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় যখন উস্কানিমূলক বা অবমাননাকর ভঙ্গিতে গোল উদযাপন করেন, তখন তাকে শাসনব্যবস্থা তার আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ফারহির গোল উদযাপনটি আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতিহাসে একটি বিশেষ ঘটনা হিসাবে চর্চা পায়, কারণ এটি ইসরাইলি খেলোয়াড়ের একজন ব্যক্তিত্ব থেকে এমন ভঙ্গিতে ঘটেছে যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশের প্রসঙ্গে সংবেদনশীল।
এই ম্যাচটি ঘটল এমন এক সপ্তাহে, যখন গাজায় ইসরাইলির যুদ্ধকালীন কাজ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্ষেত্রে গুরুতর আলোচনা চলছে। আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্র ইসরাইলের বিপক্ষে আসন্ন দুইটি ম্যাচ বয়কট করার জন্য একটি প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এই বয়কট আন্দোলন গাজার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরাইলি হামলায় ৭৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার প্রসঙ্গে গভীরভাবে সংবেদনশীল। জাতিসংঘ এই তথ্যকে নির্ভরযোগ্য হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরাইলে হামাসের আক্রমণের মধ্য দিয়ে এই যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেই আক্রমণে প্রায় ১২০০ মানুষ নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি নেওয়া হয়। গাজা থেকে এই যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলি ও রাষ্ট্রগুলি এখন ফুটবলের মাঠেও এই আন্দোলনকে প্রতিবিম্বিত করছে।
লিনৎসে ম্যাচে অস্ট্রিয়ার রোমানো শ্মিড প্রথম গোল করেন। ম্যাচের শেষ দিকে ফিলিপ মভেনে ও সাশা কালাইজিচ আরও দুটি গোল করে অস্ট্রিয়ার জয়লাভ নিশ্চিত করেন। ফারহির গোল উদযাপন ও তার পরের লাল কার্ড ঘটনা ম্যাচকে এক বিশ্রুত সংবেদনশীল ঘটনায় রূপ দেয়, যা ফুটবল ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দুটোই আলোচনায় আনছে।

-6ab609b1901e7.jpg)




