শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লিডসে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ব্যাট হাতে নতুন এক মাইলফলক গড়েছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জস বাটলার। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—সাদা বলের দুই ফরম্যাট মিলিয়ে ১০ হাজার রানের ঘরে পৌঁছানো ইংলিশ ক্রিকেটে বাটলারের প্রথম। এই উইকেটকিপার-ব্যাটার এখন ইংল্যান্ডের সাদা বলের ইতিহাসে একটি বিশেষ অবস্থানে দাঁড়িয়ে আছেন।
ম্যাচে ৪৯ বলে ৫টি চার ও সমানসংখ্যক ছক্কায় ৬৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন বাটলার। ১৪০.৮২ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করা তিনি শেষ পর্যন্ত রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়েন। ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানে স্বাভাবিক নয়— এই ইনিংসে তাঁর ব্যাটিংয়ের গতিপ্রকৃতি স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।
তবে বাটলারের ব্যক্তিগত সাফল্য দলীয় ফলাফলে রঙ আনতে পারেনি। শ্রীলঙ্কার ৩২১ রানের জবাবে ইংল্যান্ডের ইনিংস থামে ৩০৫ রানে। ফলে ১৬ রানে হেরে লিডসে সিরিজে সমতা ফিরিয়ে আনে লঙ্কানরা। অর্থাৎ বাটলার ঐতিহাসিক মাইলফলক ছাড়া মাঠ ছেড়ে এসেছেন, তবে ইংল্যান্ডের জয় নিয়ে নয়।
এই ম্যাচের পর সাদা বলের ক্রিকেটে বাটলারের মোট রান দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৬২। ৩৬৭টি ম্যাচের ৩২৬টি ইনিংসে এই রান করেন তিনি। বাটলারের সংগ্রহে রয়েছে ১৩টি সেঞ্চুরি ও ৬০টি হাফ-সেঞ্চুরি। ওয়ানডেতে ২০৪ ম্যাচে ৫ হাজার ৬৭৮ রান করা তিনি ইংল্যান্ডের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। অন্যদিকে, টি-টোয়েন্টিতে ১৬৩ ম্যাচে তাঁর রান ৪ হাজার ৩৮৪।
ইংলিশ ক্রিকেটে নতুন এক অধ্যায়
ইংল্যান্ডের আর কোনো ব্যাটার এখন পর্যন্ত ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে ১০ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেননি। ফলে বাটলারের এই অর্জন কেবল একটি ব্যক্তিগত রেকর্ড নয়; ইংলিশ ক্রিকেটে সাদা বলের দুই প্রধান ফরম্যাটের ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করেছে। দল হেরে গেলেও বাটলারের রানের এই অমূল্য স্বীকৃতি তাঁর দীর্ঘমেয়াদি অবদানকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।


