পাকিস্তানের জনপ্রিয় ব্যান্ডদল কাভিশকে নিয়ে ঢাকায় ‘কাভিশ লাইভ ইন ঢাকা’ কনসার্ট আয়োজনের কথা ছিল। আগামী শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা কনসার্টটি শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। আয়োজক প্রতিষ্ঠান প্রাইমওয়েভ কমিউনিকেশনস জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় অনুমোদন না পাওয়ায় কনসার্টটি সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। কনসার্টে কাভিশের পাশাপাশি বাংলাদেশের শিরোনামহীন ও মেঘদল মঞ্চে পরিবেশন করার পরিকল্পনা ছিল।
একই দিনে ঢাকায় আরেকটি আন্তর্জাতিক কনসার্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে তা স্থগিত করা হয়েছে। পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা ওই কনসার্টে পাকিস্তানের আলী আজমত, মুস্তাফা জাহিদ ও ব্যান্ড জাল এবং বাংলাদেশের জেমস, নেমেসিস ও লেভেল ফাইভ অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কনসার্টটি স্থগিত করার বিষয়টি জানিয়েছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স রিপাব্লিক।
দেশে একাধিক আন্তর্জাতিক কনসার্ট স্থগিত হওয়ার পর বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের পারস্পরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশি সংগীতশিল্পী ও ব্যান্ড মাইলসের সদস্য হামিন আহমেদ। তিনি ফেসবুকে কনসার্ট স্থগিতের সংবাদের একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে লেখেন, ‘কোনো একপেশে বিষয় কখনো টেকে না। এটি পারস্পরিক হতে হবে, নয়তো একেবারেই না।’
হামিন আহমেদ আরও জানতে চান, আজ পর্যন্ত বা গত ৫ বছরে কতজন বাংলাদেশি শিল্পী বা ব্যান্ড পাকিস্তানে গিয়ে পারফর্ম করেছে। তাঁর মতে, এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেলে বোঝা যেতে পারবে সাংস্কৃতিক বিনিময় কতটা পারস্পরিক। তিনি ভারতের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশি শিল্পীদের পারফর্মের সুযোগ কম হওয়ার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশ একপেশীভাবে এগোনো সম্ভব নয়। বিপরীত দিকের দরজা বন্ধ থাকলে বাংলাদেশের নিজের দরজাও খোলা রাখার কারণ থাকে না।
একই পোস্টে তিনি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলোর কাছেও জবাব চেয়েছেন। পূর্ণাঙ্গ অনুমতি পাওয়ার আগে টিকিট বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয় কীভাবে এবং বারবার কেন এমন ঘটনা ঘটছে, তা তাঁর প্রশ্ন। হামিনের মতে, এ ধরনের সমস্যার পেছনে আরও কারণ থাকতে পারে, যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত করা অত্যন্ত জরুরি।




