মুম্বাইয়ের লালবাগচা রাজার মণ্ডপে গণপতি দর্শনে গিয়েছিলেন বলিউড অভিনেতা গোবিন্দ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহ-অভিনেত্রী কোমল রানি স্বর্ণকার। সেই ভিদেটি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে গোবিন্দের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়।
এই আলোচনার পরই অভিনেত্রী কাশ্মীরা শাহ ইনস্টাগ্রামে একটি ইঙ্গিতমূলক পোস্ট দেন। তিনি কোনো নাম উল্লেখ না করেই সমাজে পরিবার ভাঙার অভিযোগকে উৎসাহ দেওয়া এবং বিবাহিত পুরুষদের সঙ্গে কমবয়সী নারীদের সম্পর্ককে আদর্শ হিসেবে দেখানোর সমালোচনা করেন। এক কাপ কফি হাতে দেওয়া পোস্টটি নিয়ে নেটিজেনদের একাংশ মনে করছেন, তিনি এতে না নাম উল্লেখ করলেও মামাশ্বশুর গোবিন্দের প্রসঙ্গটি সরাসরি ইঙ্গিত করেছেন।
কাশ্মীরা পোস্টে লেখেন, “বিশ্বাসই করতে পারছি না— মানুষ কেন একজন ‘রহস্যময় নারী’কে নিয়ে এত বড় করে পোস্ট করছে? ‘ঘরভাঙানি’দের উৎসাহ দেওয়া বন্ধ করুন এবং যে পুরুষেরা তাদের আজীবনের সঙ্গী স্ত্রীদের ছেড়ে কমবয়সি, উচ্চাকাঙ্ক্ষী মেয়েদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন, তাদের আদর্শ হিসেবে দেখানো বন্ধ করুন।” তিনি আরও বিবেচনাবোধ ও নৈতিকতার আহ্বান জানিয়ে মানুষের কাছ থেকে এই উন্মাদনা বন্ধ করতে বলেন।
কাশ্মীরা শাহ অভিনেতা গোবিন্দের ভাগ্নে এবং কৃষ্ণা অভিষেকের স্ত্রী। সাংবাদিক পরিচয় ও প্রতিক্রিয়ার বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি পোস্টে কাউকে সরাসরি নাম না দিলেও বিষয়বস্তু ও পরিস্থিতি থেকে তাঁর মামাশ্বশুরের সঙ্গে জড়িত আলোচনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে পোস্টে কোনো ব্যক্তি বা পরিস্থিতির নাম উল্লেখ না করার কারণে একে সরাসরি কোনো অভিযোগ হিসেবে ব্যাখ্যা করা কঠিন।
সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া
কাশ্মীরার এই ভূমিকার কিছু নেটিজেন স্বাগত জানিয়েছেন। একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, সুনীতা আহুজারের মতো একজন শক্তিশালী নারীর পাশে অন্যজনকে দাঁড়াতে দেখে ভালো লাগছে। অন্যদের মধ্যে কেউ কাশ্মীরাকে তাঁর মামির পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রশংসা করেন এবং তাঁকে ধন্যবাদ জানান। এই প্রতিক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে এবং ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কেন্দ্রে রেখে সবাই নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন।



