বলিউড অভিনেতা বিবেক ওবেরয়ে ও তারকা সালমান খানের মধ্যকার দীর্ঘকালীন তিক্ততা এবং অভিনয় জীবনের চরম অবনতির কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন। ২০০৩ সালে এক সংবাদ সম্মেলনে ওবেরয়ে সালমান খানকে হুমকির অভিযোগ এনেছিলেন, যা তাদের সম্পর্ককে চুরিয়া দেয় এবং ওবেরয়ের ক্যারিয়ারকে গভীর ক্ষতি করে। তবে গত কয়েক বছরের মধ্যে সময় এবং পরিস্থিতি বদলে গেছে।
ট্রলিংয়ের প্রতিবাদে ঐক্য
সাম্প্রতি অনুষ্ঠিত 'ক্যানসার পেশেন্টস এইড অ্যাসোসিয়েশন' কর্তৃক আয়োজিত একটি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে বিবেক ওবেরয়ে এই ইস্যুতে তাদের মতামত প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি বলেন, ট্রলিং হলো একটি অত্যন্ত ক্ষতিকর মানসিকতা এবং এটি থেকে সবাই দূরে থাকা উচিত। তিনি আরও বলেন যে জীবনে ইতিবাচক অনেক সুন্দর কাজ করা যায়, তাই অযথায় কারও ব্যক্তিগত জীবন বা শারীরিক গঠন নিয়ে মন্তব্য করা উচিত নয়।
এই আলোচনার মধ্যে ওবেরয়ে ক্যাটরিনা কাইফের প্রতি সালমান খানের প্রতিবাদকে প্রশংসা করেন। কাইফ সন্তান জন্ম দেওয়ার পর শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি ছিলেন। টানা কয়েক মাস ধরে তার ওজন বৃদ্ধি নিয়ে কটাক্ষ থামছেও ছিল না। তবে সালমান খান 'বিগ বস'-এর মঞ্চে অভিনব কায়দায় তাদের প্রতিবাদ জানিয়ে নেটিজেনদের ট্রলিংয়ের কড়া জবাব দেন।
ওবেরয়ের এই সালমান খানের প্রতি সমর্থন এবং অতীতের তিক্ততা ভুলে পাশে দাঁড়ানোর ঘটনাকে ভক্ত ও বিনোদন বিশ্লেষকরা ইতিবাচকভাবে দেখছেন। বলিউড তারকারা অতীতে অম্লমধুর সম্পর্ক থাকলেও, নারী ও সহকর্মীর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এক কাতারে দাঁড়িয়েছেন। বিশেষ করে মায়ানগরীর ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইকে কেন্দ্র করে ২০০৩ সালের দ্বন্দ্বটি আজও মনে রাখেন অনেকেই।
বিশ্লেষকরা মনে করেন যে এই ঐক্য বলিউডের মধ্যে একটি নতুন অধ্যায় খোলছে। যেখানে তারকারা নিজেদের অতীতের তিক্ততা ভুলে একসাথে দাঁড়িয়ে সমাজিক মাধ্যমে নির্মাণ করা সহানুভূতিশীল পরিবেশ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারেন। ট্রলিং ও নেতিবাচক চর্চা থেকে মুক্তি পেতে এই ঐক্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যায়।


-6ab4ee056bba9.jpg)
-6ab4f28b10984.jpg)

-6ab4f13a0b8c9.jpg)