পাকিস্তানের জনপ্রিয় ব্যান্ডদল কাভিশের ঢাকা কনসার্ট শেষ মুহূর্তে স্থগিত হয়েছে। শনিবার রাজধানিতে ‘কাভিশ লাইভ ইন ঢাকা’ শিরোনামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল কনসার্টটি। এতে কাভিশের পাশাপাশি বাংলাদেশের শিরোনামহীন ও মেঘদল পারফর্ম করার পরিকল্পনা ছিল।
পরপর দুই দিনে দুটি আন্তর্জাতিক কনসার্ট স্থগিত
আয়োজক প্রতিষ্ঠান প্রাইমওয়েভ কমিউনিকেশনস জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় অনুমোদন না পাওয়ায় কনসার্টটি আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেনি প্রতিষ্ঠানটি। একই কারণে প্রায় ১০ মাস আগে কাভিশের ঢাকা কনসার্টও স্থগিত হয়েছিল।
এর আগের দিন শুক্রবার পূর্বাচলে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল আরেকটি আন্তর্জাতিক কনসার্ট। সেখানে পাকিস্তানের আলী আজমত, মুস্তাফা জাহিদ ও ব্যান্ড জাল এবং বাংলাদেশের জেমস, নেমেসিস ও লেভেল ফাইভ পারফর্ম করার কথা ছিল। নিরাপত্তাজনিত কারণে সেই কনসার্টটিও স্থগিত করে আয়োজক প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স রিপাব্লিক।
হামিনের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের প্রশ্ন
ধারাবাহিকভাবে স্থগিত হওয়া কনসার্টের খবাদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের পারস্পরিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ব্যান্দল মাইলসের সদস্য ও সংগীতশিল্পী হামিন আহমেদ। তিনি লিখেছেন, ‘আমাকে বলুন, আজ পর্যন্ত বা এমনকি গত ৫ বছরে কতজন বাংলাদেশি শিল্পী বা ব্যান্ড পাকিস্তানে গিয়ে পারফর্ম করেছে? এটি বললেই আপনারা বুঝতে পারবেন আমি ঠিক কী বোঝাতে চাচ্ছি।’
হামিনের মতে, শিল্প ও সংস্কৃতির বিনিময় একপেশা হতে পারে না। বিপরীত দিকের দরজা বন্ধ থাকলে বাংলাদেশের নিজস্ব সাংস্কৃতিক দরজা খোলারও কোনো কারণ থাকে না। তিনি ভারতের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশি শিল্পীদের পারফর্মের সুযোগ সীমিত থাকার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন, এভাবে পারস্পরিক আদান-প্রদান খুবই কম।
একই সঙ্গে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিগুলোর কাছে তিনি কয়েকটি প্রশ্ন রেখেছেন। পূর্ণাঙ্গ অনুমতি পাওয়ার আগেই টিকিট বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয় কীভাবে এবং বারবার কীভাবে কনসার্ট স্থগিত হচ্ছে—এসবের পেছনের কারণ অনুসন্ধান করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থা নিতে বলেছেন তিনি।





-6ab6c786d4aaf.jpg)