শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

খেলাধুলা

আর্থিক বিধি ভাঙার ১১৫ অভিযোগে সিটির ১১৪টিতেই দোষী প্রতিযোগ, বড় শাস্তির শঙ্কা

প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আনা ১১৫টি অভিযোগের ১১৪টিতেই ক্লাবটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। শাস্তির ধরন এখনো নির্ধারিত হয়নে, ক্লাবটির আইনি চ্যালেঞ্জ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৩৫ এএমসর্বশেষ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:৩৫ এএম
আর্থিক বিধি ভাঙার ১১৫ অভিযোগে সিটির ১১৪টিতেই দোষী প্রতিযোগ, বড় শাস্তির শঙ্কা

প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক বিধি ভঙ্গের অভিযোগে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে বড় ধরনের শাস্তি হতে পারে। ক্লাবটির বিরুদ্ধে আনা ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতে সিটিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। তবে কী ধরনের পরিমাণ বা শাস্তি দেওয়া হবে, তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তি বলেছেন, দীর্ঘ তদন্তের পর ক্লাবটির বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগগুলোর মধ্যে মাত্র একটিতে দায়মুক্তি পেয়েছে সিটি। প্রায় চার বছরের তদন্তের পর ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রিমিয়ার লিগ আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাবটির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সিটি আপিল করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ম্যানচেস্টার সিটি জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্তভাবে শেষ হয়নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বাকি রয়েছে। ক্লাবটির মুখপাত্র বলেন, পুরো বিষয়টি বেশ গোপনীয়তার মধ্যে থাকায় তারা ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেওয়া অবস্থানে অটল আছেন। সিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রিমিয়ার লিগের বোর্ড ও নির্বাহী কর্তৃপক্ষকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নিয়ন্ত্রক হিসেবে বিবেচনা করেই তারা গত আট বছর ধরে আইনি প্রক্রিয়া মেনে চলছে।

অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্লাবের সঠিক আর্থিক তথ্য এবং খেলোয়াড় ও কোচদের পারিশ্রমিকের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ না দেওয়া। এছাড়া উয়াফার ফাইন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে বা এফএফপি এবং প্রিমিয়ার লিগের ‘প্রফিটেবিলিটি অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি’ নীতিমালা ভঙ্গের অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত ছিল। সিটি সূত্র থেকে শুরু করেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দলগত অভিযোগ গঠনের সময়ও ক্লাবটি সেগুলোকে ‘বিস্মিত’ বলে অস্বীকার করেছিল।

ঘটনার পটভূমিতে রয়েছে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আর্থিক বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দীর্ঘ তদন্ত। ২০১৮ সালের নভেম্বরে জার্মান মিডিয়া ডের স্পিগেল সিটির কিছু ফাঁস হওয়া আর্থিক নথি প্রকাশ করার পর বিষয়টি তীব্রতা পায়। এর আগে ২০২০ সালে উয়াফা সিটিকে দুই বছরের জন্য ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করে এবং ৩ কোটি ইউরো জরিমানা করে। পাঁচ মাস পর ক্রীড়া সালিসি আদালত সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে দেয়, কারণ আদালতের মতে, উয়াফার নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবের কারণে কয়েকটি অভিযোগ টিকেনি।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📬 প্রতিদিনের বাছাইকৃত খবর সরাসরি ইমেইলে পান

আমাদের বিনামূল্যে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সাবস্ক্রাইব করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ