দক্ষিণ আমেরিকার জাতীয় দলগুলো ২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ করে নতুন বিশ্বকাপ পরিকল্পনার পথে যাত্রা শুরু করেছে। তবে ভবিষ্যৎর সূচি ও প্রতিযোগিতার কাঠামো এখনো চূড়ান্ত নয়। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মতো পারম্পরিক শক্তির দলগুলোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো ১০ নম্বর জার্সির নতুন নেতা খুঁজে বের করা।
ব্রাজিল: নেইমার ছাড়ার পর নতুন আক্রমণ নেতা
নরওয়ের বিপক্ষে হারের পর ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি দলটিকে পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে নেইমারকে মাঠে নামানোর পর দলের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ায় আনচেলত্তি স্পষ্ট করেন যে নেইমার এখন দলের পরিকল্পনার অংশ নয়। ব্রাজিলের আক্রমণে বড় দায়িত্ব নিতে পারেন চেলসির জোয়াও পেদ্রো। তবে চোটের কারণে আসন্ন ম্যাচে খেলতে পারবেন না তিনি।
বিশ্বকাপে ব্যক্তিগতভাবে ভালো করা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এই নেতৃত্ব নেওয়ার প্রস্তুত। রাফিনহা ক্যাসেমিরোর পুরোনো ভূমিকার জন্য আনদ্রে সান্তোস ও দগলাস লুইজ লড়াই করবেন। মিডফিল্ডে সান্তোসের গ্যাব্রিয়েল বন্তেপো, করিথিয়ান্সের ব্রেনো বিদান ও ফ্লুমিনেন্সের মার্তিনেল্লির মতো তরুণদের দিকে আনচেলত্তির নজর থাকবে।
আর্জেন্টিনা: মেসির শেষ অধ্যায়
লিওনেল মেসি আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের শেষ অধ্যায়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। ৬ অক্টোবর বুয়েনস এইরেসে বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচটি হতে পারে আর্জেন্টিনার শেষ ম্যাচ হিসেবে। মেসির যুগ শেষ হওয়ায় দেশটির জন্য ১০ নম্বর জার্সির নতুন নেতা খুঁজার চাপ বাড়ছে।
আর্জেন্টিনার জন্য এখনো অনেকে আশা করেন যে মেসির কাছ থেকে আরও কিছু পাওয়া সম্ভব। তবে আনচেলত্তির মতে দেশটির মিডফিল্ড সবচেয়ে দুর্বল অংশ। নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ব্রাজিল নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও বল দখলে পিছিয়েছিল। তাই দীর্ঘমেয়াদে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম মিডফিল্ডারদের তৈরি করাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
বিশ্বকাপের পরবর্তী পরিকল্পনায় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার মতো দুই দেশই নতুন তরুণ তারকাদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করছে। দুই দেশের ফুটবল ভবিষ্যৎ এখনো উজ্জ্বল রয়েছে, যদিও প্রথমবারী নেতার দায়িত্ব নেওয়ার চাপ বাড়ছে। দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবলের ভাব বদলে যাওয়ার প্রতীত দেখা যাচ্ছে।
-6ab4da469e5f8.jpg)

-6ab4ce50b0399.jpg)
