শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

বিনোদন

শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় চিরবিদায়ে মুস্তাক খান

দীর্ঘ অসুস্থতার পর শুক্রবার মুম্বাইয়ে শেষকৃত্যে বিদায় নেওয়া হয় প্রবীণ ভারতীয় অভিনেতা মুস্তাক খানকে। পরিবার, বন্ধু ও চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেকে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর অবদান ও স্মৃতি তুলে ধরেন।

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০৮ পিএমসর্বশেষ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০৮ পিএম
শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় চিরবিদায়ে মুস্তাক খান

ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রবীণ অভিনেতা মুস্তাক খানকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় চিরবিদায় জানানো হয়েছে। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মুম্বাইয়ে তাঁর শেষকৃত্যে পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন।

শেষকৃত্যে উপস্থিত ছিলেন রাজপাল যাদব, সঞ্জয় মিশ্র, মনীশ ওয়াধওয়া, শাহজাদ খান, জায়েদ দরবার, সুনীল পাল ও অনীস বাজমি। তাঁরা ভারতীয় চলচ্চিত্রে মুস্তাক খানের অবদান, দীর্ঘ কর্মজীবন এবং বিভিন্ন সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিশেষ মুহূর্তগুলো স্মরণ করেন।

বৃহস্পতিবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মুস্তাক খান। শারীরিক জটিলতার কারণে তাঁকে মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁর শরীরে ক্যানসার শনাক্ত হয়। চিকিৎসা চললেও ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং হাসপাতালেই তিনি মৃত্যুর শরণাপন্ন হন।

মুস্তাক খানের ছেলে মোহসিন খান বলেন, তাঁর বাবা ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন এবং রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। তিনি জানান, শুরুতে ক্যানসারটি প্রথম পর্যায়ে থাকলেও পরে তা দ্রুত জটিল রূপ ধারণ করে এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে পরিবারের জানার আগেই অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। বাবার সঙ্গে শেষ কথোপকরণের স্মৃতি তুলে ধরে মোহসিন বলেন, শেষ সময়ে মুস্তাক খানের মুখে হাসি ছিল। তিনি বলেছিলেন, “এই পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে আমি খুব আনন্দিত। জীবনে যে কাজ করেছি, আশা করি তা মানুষের কাছে পৌঁছেছে।”

১৯৮০ সালে ‘আলবার্ট পিন্টো কো গুসসা কিয়ো আতা হ্যায়’ ছবির মাধ্যমে অভিনয়জীবন শুরু করেন মুস্তাক খান। তিনি দশকের পর দশক ধরে বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে ভারতীয় চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে ‘ওয়েলকাম’, ‘গদর: এক প্রেম কথা’ ও ‘হাম হ্যায় রাহি পেয়ার কে’। ‘ওয়েলকাম’ ছবির বিখ্যাত সংলাপ ‘মেরি এক টাং নাকলি হ্যায়, ম্যায় হকি কা বহুত বড়া প্লেয়ার হু’ আজও দর্শকদের মনে স্থায়ীভাবে বেঁচে আছে।

মোহসিন খান আরও জানান, তাঁর বাবার বেশ কয়েকটি সিনেমা, টেলিভিশন ধারাবাহিক ও ওয়েব সিরিজ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়া মৃত্যুর আগের দিন রাজপাল যাদব হাসপাতালে গিয়ে মুস্তাক খানের সঙ্গে দেখা করেছিলেন বলে জানান তিনি। রাজপালকে দেখে তাঁর বাবা খুশি হয়েছিলেন। অভিনেতা অনুপম খেরও ফোন করে সহানুভূতি ও অনুপ্রেরণামূলক কথা বলেছেন।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📬 প্রতিদিনের বাছাইকৃত খবর সরাসরি ইমেইলে পান

আমাদের বিনামূল্যে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সাবস্ক্রাইব করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ