জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে আন্তর্নিহিত সভাপতি রাষ্ট্রদের ঐক্যবদ্ধ অধিকোষণীয় পাঠ্যক্রমে বক্তৃত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি রোহিঙ্গা প্রবল্পগ্রস্ত অধিবাসীদের নিরাপদে ফেরানোর গুরুত্ব ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। তার মতে, বাংলাদেশ যদিও আশ্রয় প্রদানে তাদের সক্ষমতা ও আন্তরিক অংশগ্রহণ করেছে, তবে তাদের স্বদেশে নিরাপদে ফিরে যাওয়াই তাদের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।
বাস্থব সমাধানের ডাক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফেরানোই একমাত্র স্থায়ী সমাধান। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা এই প্রকল্পকে সমর্থন করে এবং রোহিঙ্গাদের স্বদেশে নিরাপদে প্রত্যাবর্তনের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করে। তিনি বাংলাদেশের ভূমিকা ও তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং বলেন যে বাংলাদেশ সবসময়ই আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যামে এই সংকট সমাধানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
অন্যদিকে, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে স্বজ্ঞানে নির্বাসন ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছে। জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে আনায় যে ধরনের ঝুঁকি ও অস্থিতিশীলতা রয়েছে তা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ জাগিয়েছে। এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশের মনোয়াপন রোধ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশের একতাবদ্ধ প্রয়াস আবশ্যক।
বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রদানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করেছে এবং তাদের মানবাধিকার রক্ষায় তাদের অংশগ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। তবে, প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট ইঙ্গিত যে রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফেরানোই সঠিক পথ তা আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশকে আহুরি করে তুলতে পারে। ভবিষ্যৎতে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান পেতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি চাপ বাড়ানো ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশের ঐক্য বজায় রাখা অপরিহার্য।


