বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
৭ই কার্তিক, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

খেলাধুলা

ওয়ানডে অভিষেকের পরদিনই আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন

ওয়ানডে অভিষেকের পরদিনই আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন...

ম
মোহাম্মদ আলী· ক্রীড়া সংবাদদাতা
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৯ পিএমসর্বশেষ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৮:০৯ পিএম
ওয়ানডে অভিষেকের পরদিনই আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন

বাংলাদেশের জার্সিতে ওয়ানডে অভিষেকের পরদিনই দুঃসংবাদ পেলেন অফ স্পিনার আলিস আল ইসলাম। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ত্রিদেশীয় সিরিজের ম্যাচে তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ম্যাচ কর্মকর্তারা। ফলে এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) অনুমোদিত কেন্দ্রে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিতে হবে তাকে।

আইসিসি বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার (২১ অক্টোবর) শারজায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে আলিসের বোলিং অ্যাকশন সন্দেহজনক মনে হয়েছে ম্যাচ অফিশিয়ালদের। ২৯ বছর বয়সি এই স্পিনারকে এবার পরীক্ষার মধ্য দিয়ে নিজের বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা প্রমাণ করতে হবে।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষায় কোনো বোলারের অ্যাকশন অবৈধ প্রমাণিত হলে তাকে সাময়িকভাবে বোলিং থেকে বিরত থাকতে হয়। পরে অ্যাকশনে প্রয়োজনীয় সংশোধন এনে পুনরায় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে বোলিংয়ে ফেরার সুযোগ পান তিনি।

তবে আলিসের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুইবার একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে বিপিএলে অভিষেকের সময় তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে অ্যাকশনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন এনে আবারও বোলিংয়ে ফেরেন এই স্পিনার।

এরপর ২০২৫ সালের বিপিএলেও তার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেবারও পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় উত্তীর্ণ হয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান আলিস। এবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন করে তার অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করায় বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে।

আইসিসির বিধি অনুযায়ী, বল করার সময় বোলারের হাত কাঁধের সমান্তরালে আসার পর থেকে বল ছাড়ার আগ পর্যন্ত কনুইয়ের প্রসারণ ১৫ ডিগ্রির বেশি হলে সেই বোলিং অ্যাকশন অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হয়।

ম্যাচ চলাকালে কর্মকর্তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা ও সরাসরি পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে কোনো বোলারের অ্যাকশন নিয়ে সন্দেহ জানাতে পারেন। এরপর আইসিসির অনুমোদিত পরীক্ষাকেন্দ্রে আধুনিক প্রযুক্তি এবং বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় বোলারের বোলিং অ্যাকশন বিশ্লেষণ করা হয়। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয় তার অ্যাকশন নিয়মসম্মত কি না।

এখন আলিসের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা নিশ্চিত করা। এর আগে দুইবার এমন পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এই স্পিনার এবারও সফলভাবে বাধা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের জায়গা ধরে রাখতে পারেন কি না, সেটিই দেখার বিষয়।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
ম

মোহাম্মদ আলী

ক্রীড়া সংবাদদাতা

খেলাধুলা বিভাগের বিশেষ সংবাদদাতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ