আজ শনিবার সকাল ১০টায় পটুয়াখালীর আউলিয়াপুর নূর-এ-মদিনা মসজিদ কমপ্লেক্সে এ আয়োজন করা হয়।
স্মরণসভায় বক্তারা সোহরাব হোসেনের পেশাগত নিষ্ঠা, সাংবাদিকতায় অবদান ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করেন। তারা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জাকির হোসেন, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা ও শিক্ষাবিদসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সোহরাব হোসেন দুই দশকেরও বেশি সময় ধরেসংবাদমাধ্যমের পটুয়াখালী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি সংগঠনটির সহ-সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি দুমকি উপজেলার দক্ষিণ মুরাদিয়া মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ ছাড়া, তিনি আউলিয়াপুর সাবিনা আক্তার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি, দক্ষিণ আউলিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এবং তারুণ্যের আউলিয়াপুরের উপদেষ্টা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
গত ২০ অক্টোবর পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সোহরাব হোসেন। পরদিন বুধবার সকালে আউলিয়াপুর সাবিনা আক্তার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জানাজা শেষে বড় ভাই ওহাব মোল্লার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
স্মরণসভা শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন মাসুদুর রহমান।
সোহরাব হোসেন স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়ে এবং অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। স্মরণসভায় তার দুই ছেলে মো. আতিকুর রহমান ও মো. সুফিয়ান মোল্লাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।



