প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছেন, গাজীপুরে সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের অর্থায়নে তার অনুসারীরা শ্রমিকের ছদ্মবেশে তাণ্ডব চালাচ্ছে। অন্যদিকে, মিরপুর, আশুলিয়া ও সাভার অঞ্চলে আওয়ামী লীগ নেতা এস এম মান্নান কচির অর্থায়নে শ্রমিক আন্দোলনের নামে অরাজকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, আজ সরকারের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে। জানুয়ারি মাসের বেতনের সঙ্গে শ্রমিকেরা নতুন মজুরি পাবেন। এ বিষয়ে মালিক ও শ্রমিক নেতারা একমত হয়েছেন। এরপরও যদি কোনো আন্দোলন অব্যাহত থাকে, তাহলে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতার স্বার্থে সেই আন্দোলন বন্ধ করা সরকারের দায়িত্ব।
বুধবার (৪ নভেম্বর) রাশেদ খাঁন তার ফেসবুক পেজে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে। সরকারের অন্যতম দায়িত্ব হলো শিল্পকারখাঁনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
প্রকৃত শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়ার পরও শ্রমিক আন্দোলনের নামে ফ্যাসিস্টদের যেকোনো ষড়যন্ত্র ও আস্ফালন মোকাবিলা এবং দমন করতে বিএনপি সরকার বদ্ধপরিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।






