বিজয়নগরে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, সরকার ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। এর ফলে ডিজেলের দাম ১৩৫ টাকায় পৌঁছেছে, যা কৃষি, সেচ ও গণপরিবহনের ওপর গুরুত্বাপন্ন প্রভাব ফেলবে।
মঞ্জু বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারের চাপ মোকাবিলা করা দরকার, কিন্তু তা একবারে জনগণের ওপর চাপানো যায় না। প্রয়োজন প্রাইস শক নয়, প্রাইস অ্যাডজাস্টমেন্ট। আগস্ট মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮.২৬% এবং জাতীয় মজুরি বৃদ্ধি ৮.০৫%, যা জনগণের ক্রয়ক্ষমতাকে আরও চাপদুতো করবে।
এবি পার্টির ছায়া সরকার বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান বলেন, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিপিসি ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা লোকসান করেছে। তিনি দাবি করেন যে সরকার এই লোকসান আটকাতে জনগণের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। তিনি দাবি করেন যে আন্তর্জাতিক বাজারদর, ফ্রেইট, এক্সচেঞ্জ রেট ও করের ভিত্তিতে স্বচ্ছ প্রাইসিং মেকানিজম জরুরি প্রয়োজন।
নোমান সরকারের প্রতি ১১টি দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে প্রধান্য রয়েছে কৃষি ও পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত ডিজেলের ওপর আলাদা মূল্যনীতি, ধাপে ধাপে মূল্য সমন্বয় ও সংকটকালে আমদানি শুল্ক সাময়িক সমন্বয়। তিনি বলেন, অপচয় ও জ্বালানি চুরি বন্ধের ব্যবস্থা না নিলে এই চাপ আরও বাড়বে।
সংবাদ সম্মেলনে মঞ্জু বলেন, ডিজেলের দাম বাড়লে সেচ পাম্প, পাওয়ার টিলার, হারভেস্টারের ব্যয় বাড়ে। সামনে বোরো মৌসুম হওয়ায় এর প্রভাব আরও গুরুত্বপূর্ণ হবে। পরিবহন ব্যয় বাড়লে পাইকারি ও খুচরা বাজারে পণ্যের দাম বাড়বে, যা সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপ বাড়িয়ে তুলবে।




-6ab7db813afb0.jpg)