সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত ট্রলের শিকার হওয়ার অভিযোগ থেকে নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী। ফেসবুকে তাকে নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য ও ব্যঙ্গ-প্রসঙ্গের পোস্ট দেখা গেলেও এ বিষয়ে খুব একটা চিন্তিত নন তিনি। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, জীবনে এমন কোনো কাজ করেননি, যা নিয়ে তাঁকে ট্রল করা উচিত হয়ে থাকে।
ওমর সানী বলেন, তাঁর কর্মকাণ্ডকে নিয়ে অনেক সময় অন্যরা নিজেদের মতো করে ট্রলের বিষয় তৈরি করেন। সমাজ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের মানুষের সংখ্যা বেশি বলে তিনি মন্তব্য জানিয়েছেন। তবে তাঁর দাবি, এসব পোস্ট বা প্রতিক্রিয়ার জবাবে তিনি আঘাত করেন না এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে কাউকে ছোট করার উদ্দেশ্যেও পোস্ট করেন না।
নিজের স্বভাবের বিষয়ে ওমর সানী বলেন, তিনি সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করেন এবং প্রয়োজন হলে প্রতিবাদও করেন। এই স্বভাব অনেকের কাছে পছন্দ না হলেও তিনি এতে কোনো পরিবর্তন আনেননি। কোনো পোস্ট বা মন্তব্যের জবাবে কখনো নিজের পোস্ট মুছে ফেলার কথা মনে পড়ে না বলেও জানান তিনি। তবে খুব কম সংখ্যক দেখায় হয়তো একবার বা দুবার কোনো পোস্ট ডিলিট করে থাকতে পারেন।
সাক্ষাৎকারে ব্যবহৃত একটি ঘড়ি নিয়েও কথা বলেন চিত্রনায়কটি। তাঁর বাংলাদেশে অনেকেই একটি ঘড়ির দাম প্রায় ২৯ লাখ টাকা বলে চলাচল করছে। বিষয়টি তাঁকে অবগত করার পর তিনি জানান, সেই ঘড়ির আসল দাম মাত্র ১ হাজার ১০০ টাকা। একটি পোস্টের কারণে বেশি মূল্যের পণ্য নিয়ে কথা বলার চেষ্টা না করে বলেছেন তিনি নিজের সামর্থ্য বা সম্পদ নিয়ে আলগা বাহাদুরি করেন না। মার্সিডিজ গাড়ি থাকার বিষয়টিও তিনি ফুটানি হিসেবে উপস্থাপন করেননি।
শিল্পীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে ওমর সানী বলেন, যারা শিল্পী, তারা সাধারণত কম কথা বলেন; বরং যারা কোনো শিল্পী নয়, তারাই বেশি সময় ব্যয় করেন এবং অন্যদের নিয়ে বক্তৃতা দেন। এ প্রসঙ্গে তাঁর মূল বার্তা হয়তো কয়েকটি পাশে বাড়ি, গাড়ি বা ঘড়ির দাম দেখানোর চেষ্টা নয়। বরং তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, স্বামী ও সংসারের পরচয়ে একটি ঘড়ি কেনার জন্য সবচেয়ে বেশি চাই।






