করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামের হানিফ মোহাম্মদ হাই পারফরম্যান্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধান কোচ মাইক হেসন দলটির বিভিন্ন সংস্করণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। তিনি স্বীকার করেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাকিস্তান বিশ্বের চতুর্থ বা পঞ্চম সেরা দলের মধ্যে পড়ে। সংক্ষিপ্ত সংস্করণের দলটির শক্তিমত্তা ও ব্যাটিং গভীরতা নিয়ে হেসন আত্মবিশ্বাস প্রকাশ জানান।
টেস্টে ব্যর্থতা, ওয়ানডেতে অগ্রগতি
সাম্প্রতিক সময়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে পাকিস্তান ৩-০ ব্যবধানে হার পেয়েছে। প্রথম টেস্টে ইনিংস ও ১০৩ রানে, দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে এবং তৃতীয় টেস্টে ৮ উইকেটে ইংল্যান্ড জয়ী হয়। এই ব্যর্থতার পেছনে টেস্ট ক্রিকেটে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে হেসন স্বীকার করেন, এই সংস্করণে পাকিস্তান এখনও ভালো করতে পারছে না। তবে ওয়ানডিতে দলটির ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে বলে তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
টি-টোয়েন্টি সংস্করণে পাকিস্তানের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ ও গভীর রোস্টার নিয়ে হেসন বলেন, জাপানে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান গেমসে কন্ডিশন অনুকূলে থাকলে এই ব্যাটিং কম্বিনেশন খুবই কার্যকর হতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ওঠে পাকিস্তান তাদের শক্তিমত্তা দেখাতে পারবে।
এশিয়ান গেমসের জন্য পাকিস্তানের দলে অভিজ্ঞ ও তরুণ ক্রিকেটারদের সমন্বয় করা হয়েছে। হেসন জানান, অভিজ্ঞতার সঙ্গে উদীয়মান প্রতিভার ভারসাম্য রাখতে এমন দল নির্বাচন করা হয়েছে। তিনি মনে করেন, এই সমন্বয়টি টুর্নামেন্টের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
এদিকে সালমান মির্জার চোট নিয়ে হেসন হতাশা প্রকাশ করেন। তার চোট দলের প্রস্তুতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের পর থেকে তিন সংস্করণ ও সামনে থাকা আন্তর্জাতিক সূচির জন্য বিভিন্ন সংস্করণের দল প্রস্তুত করছে পাকিস্তান। মির্জার অনুপস্থিতি দলের কৌশল ও রোস্টার নির্বাচনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে।
-6ab4b05e27c15.jpg)
-6ab4ce50b0399.jpg)
-6ab4ceda3a9d6.jpg)
-6ab4da469e5f8.jpg)
