আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের মতো বিকাশশীল রাষ্ট্রগুলোর জন্য দেশ পুনর্গঠনের এক নতুন দিকনির্দেশনা হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীর উদযাপন করা 'থ্রি-আর' কৌশল আন্তর্বিশ্বীয় সম্প্রদেশে গুরুত্ব পেয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই কৌশলটি তুলে ধরার সময় তিনি জোর দিয়েছেন যে দেশ পুনর্গঠন শুধু আর্থিক উন্নয়ন নয়, বরং সামাজিক ঐক্য ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির মাধ্যমে সম্ভব হয়।
তিনটি স্তম্ভে গঠিত 'থ্রি-আর' কৌশল
'থ্রি-আর' বলতে প্রধানমন্ত্রী মোদী উল্লেখ করেছেন রিফর্ম (পুনর্গঠন), রিকনস্ট্রাকশন (প্রক্রিয়ার পুনর্নির্মাণ) এবং রিসাইলিয়েন্স (টেকসইতা) এই তিনটি স্তম্ভের সমন্বয়। এই তিনটি স্তম্ভ একসাথে করে একটি সমন্বিত গভেষণা ও প্রয়োগ প্রণালী যা দেশগুলোকে দীর্ঘকালীন উন্নয়নের পথে টেনে নেয়। বিশেষ করে আফ্রিকান ও দক্ষিণ এশিয়ান দেশগুলোর মতো অঞ্চলগুলোতে এই কৌশলটি আদর্শ হিসেবে প্রয়োগ করা যায়।
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে এই কৌশলটি শুধু উন্নয়নই নয়, বরং জলবায়ু পরিবর্তন, মানব অধিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মতো গ্লোবাল বিষয়গুলোর সাথে সমন্বয় করতে পারে। তিনি জানিয়েছেন যে বাংলাদেশের মতো দেশগুলো যেখানে দ্রুত গতির অর্থনীতি রয়েছে, তাদের জন্য এই কৌশলটি আদর্শ হিসেবে কাজে লাগানো যায়।
এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে উপস্থাপিত কৌশলটি বাংলাদেশ authorities এবং আন্তর্জাতিক সহযোগদের মধ্যে আলোকপ্রকাশ ঘটিয়েছে। ভবিষ্যতে এই কৌশলটি আন্তর্জাতিক বিকাশ সহযোগীদের মধ্যে আরও ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উদযাপন বাংলাদেশ-ভিত্তিক এক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আলোচনার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও দেশ পুনর্গঠনের দিকে একটি নতুন পথ খুলে দেবে।


