প্রধানমন্ত্রী শ্রী নেপালের রাজধানী কাঠমাড়ौলीতে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মহাসভায় বাংলাদেশের দেশ পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মূল ভিত্তি হিসেবে 'থ্রি-আর' (এমন রিকাভারি, রিসিলিয়েন্স ও রিফর্ম) কৌশল উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, আগামী দশকে এই তিনটি কৌশল একসাথে প্রয়োগ করে দেশটি টেকসই উন্নয়নের পথে অগ্রসর হবে।
প্রধানমন্ত্রীর উক্তির মূল বক্তব্য ছিল যে, দেশ পুনর্গঠন শুধু অর্থনীতি পুনর্গঠন নয়, বরং সমাজিক ও প্রশাসনিক গঠনকেও অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন যে, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ যেভাবে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে অবস্থান গড়ে তুলেছে, তা একটি প্রমাণ যে 'থ্রি-আর' কৌশল কার্যকরভাবে কাজ করছে।
জাতিসংঘে এই উপস্থাপনীয় অবসর পেয়েছে উচ্চ প্রশংসা। বিশ্বব্যাপী অর্থনীতিক বিশেষজ্ঞরা মূল্য করিয়েছেন যে, বাংলাদেশের এই প্রস্তাব গ্লোবাল সাজেশন ডেভেলপমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ গাইডলাইন হিসেবে কাজে লাগবে।
এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করেন, যেখানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশ ও সহযোগিতায় বাংলাদেশ আরও গভীর স্তরে অবদান রাখবে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রতি স্বীকৃতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
জাতিসংঘে এই উপস্থাপনীয় পরে একাধিক দেশ ও আন্তর্জাতিক সংগঠন বাংলাদেশের এই কৌশলকে সমর্থন জানিয়েছে। বিশেষ করে এশিয়া ও আফ্রিকার উন্নয়নশীল দেশগুলো এই মডেলকে অনুকরণের আগ্রহ পোষণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশে বাংলাদেশের গুরুত্ব আরও তুলে ধরবে।



