ঢাকা। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শ্রী তারেক রহমানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শ্রী শহবাজ় উল হকের আজ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা নিয়ে গভীর আলোচনা হয়। দুই পক্ষ ঐক্যমত হয়েছে যে দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য দুই দেশের কাছাকাছি সহযোগিতা অপরিহার্য।
সহযোগিতা চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে
বৈঠকের প্রথম পর্যায়ে উভয় দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক সহযোগিতা বাড়ানোর সংক্ষিপ্ত ঐলাক্তিক চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এই চুক্তিতে বাণিজ্য বাড়্ততম হারে ২০% বৃদ্ধি আনার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। দুই দেশের মধ্যকার শ্রমী সহযোগিতা, পর্যটন ও শিক্ষা ক্ষেত্রে আপসী সহযোগিতার বিস্তারিত পরিকল্পনা উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্বিপক্ষ একমত হয়েছে যে মানব অধিকার রক্ষায় ও আন্তর্জাতিক আইনের মেনে চলাত্মক দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও গভীর করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান ঐক্যবদ্ধভাবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতে পারে। এই বৈঠক ভবিষ্যৎয়ের জন্য উজ্জ্বল সম্ভাবনা তৈরি করেছে বলে আশাব্যক্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ককে ভিত্তি করে ভবিষ্যৎয়ে আরও শক্তিশালী সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারা সম্ভব। উনি উল্লেখ করেছেন যে দুই দেশের মধ্যকার আলাপচার ও আপসী সহযোগিতা বাড়ালে দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়ন ও শান্তির মডেল তৈরি হতে পারে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শহবাজ় উল হকও বাংলাদেশের প্রতি সকারাত্মক মনোভাব প্রকাশ করেন।
এই বৈঠকের ফলে নির্ধারিত হয়েছে যে আগামী মাসগুলোতে দুই দেশের মধ্যকার উচ্চ স্তরের পর্যটন ও সংস্কৃতি আদানপ্রদান আরও বাড়বে। একইসাথে বাণিজ্যিক সহযোগিতা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে দুই দেশের মধ্যকার সহযোগিতা গভীর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেবাস করা হয়েছে যে এই সহযোগিতা দুই দেশের জন্যই অগ্রসরণশীল সুযোগ তৈরি করবে।




