দেশের রাষ্ট্রপতি জনাব মোহাম্মদ সাম্পাইল হুসেন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শন চললো যাতে তিনি অনুমোদন দিয়েছেন যে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে ওঠা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর নিয়ন্ত্রণ আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী এই সুবিধাগুলোর মানদণ্ড ও গুণমান নিয়ন্ত্রণ আরোপযোগ্য হবে এবং রোগীদের সুরক্ষিত ও নিরাপদ চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়ার ব্যবস্থা গড়ে তোলা যাবে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধিকৃত একটি প্রশাসনিক আদেশ অনুযায়ী, যে সকল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার তালিকাভুক্ত করা হবে তাদের প্রতিটি কর্মীকে প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স অনুপস্থিতে কাজ করতে হবে। এছাড়াও তাদের কাছে আইনগত ভিত্তি ও প্রযুক্তিগত সুবিধা অনুপস্থিত হওয়া আবশ্যক এবং তাদের সরকারি অনুমোদন প্রাপ্ত হওয়া প্রয়োজন।
নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিং ব্যবস্থা
এই নতুন ব্যবস্থাপনামা অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। এই ব্যবস্থায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা একসাথে কাজ করবেন এবং নিয়মিত ভ্রমণ করে এই সুবিধাগুলোর মানদণ্ড ও গুণমান যাচাই করবেন।
এই আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য হলো দেশবাসীর স্বাস্থ্য ও সুরক্ষাকে প্রাধাণ্য দেওয়া এবং তাদের ওপর পর্যাপ্ত আইনি সুরক্ষা প্রদান করা। এছাড়াও এই ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারী সুবিধাগুলোর মালিক বা পরিচালকদের আইনগত দায়িত্ব ও মেনে চলার ব্যবস্থা থাকবে।
এই নির্দেশনার প্রয়োগ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গড়ে ওঠা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর মানদণ্ড ও গুণমান নিয়ন্ত্রণ আরো স্পষ্ট ও শক্তিশালী হবে। এতে রোগীরা নিরাপদ ও মানযোগ্য চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন এবং দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মেরিত উন্নয়ন ঘটবে।



