রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবুল হামেদ ফখরুদ্দিন গত দুই বছরের মধ্যে দেশটিতে যত্রতত্র গড়ে ওঠা অনিয়মি ও অনুমতি বিনা ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশনা আইনগত ভিতি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য নিরাপত্তার অভাব মুকুল করতে ব্যবস্থা
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, দেশটিতে গত কিছু বছরে অনুমতি ছাড়া ও আইনগত ভিতি না থাকায় হাজারোটি অনিয়মি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু হয়েছে। এসব সুবিধাগারগুলোতে রোগীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে এবং তাদের সুরক্ষায় কোনো নিশ্চয়তা নেই। রাষ্ট্রপতির এই নির্দেশলেখ্য এই অবস্থা মুক্তি করতে এবং স্বাস্থ্যসেবায় আইনগত ও নিরাপদ পরিবেশ নির্মাণে সহায়তা করবে।
এই নির্দেশনা অনুসারে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনকে তাদের অধিক্ষেত্রে অবস্থিত সব অনিয়মি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার আইনগতভাবে যাচাই করে তাদের মধ্যে থেকে অনুমতি ও আইনগত ভিতি না থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে বন্দ করতে বলা হবে। এতে রাষ্ট্রের নাগরিকদের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি আইনশৃত চিকিৎসা সেবার পরিবেশ গঠনে ব্যবধান নেওয়া যাবে।
এদিক থেকে গভীর উদ্বেগ পোহা দেওয়া যাচ্ছে, কারণ অনুমতি বিনা চালু হওয়া এসব ক্লিনিকে রোগীদের মৃত্যুঝুঁকিতে ফেলছে। রাষ্ট্রপতি ফখরুদ্দিন এই ব্যবস্থা নিয়েছেন ভবিষ্যৎতে এমন ঘটনা পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে আনুগত্য পূর্বক প্রয়াস প্রদর্শন করবে বলে আশ্বাস ব্যক্ত করা হয়েছে।
এই সংক্রমণ রোধে সরকার আগামী মাসগুলোতে একটি সমন্বিত অভিমত গঠন করে সব প্রকার অনিয়মি মেডিক্যাল ও ডায়াগনস্টিক সুবিধাগুলোর তালিকা প্রকাশ করবে এবং তাদের মধ্যে থেকে আইনত অনুমোদিত ও নিরাপদ সুবিধাগুলো রাষ্ট্রের তালিকায় স্থায়ীভাবে সংযুক্ত করবে। নাগরিকদের এই সচেতনতা বাড়াতে সরকার প্রচারণা চালু করবে।



