ঝিনাইদহ শিশু কুঞ্জু স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নিয়ে তীব্র মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, জামায়াত একটি হঠকারী রাজনৈতিক দল এবং সবসময় সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগে। তিনি উল্লেখ করেন যে একাত্তিতেও জামায়াত সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করেছিল এবং জনগণের পক্ষে অথবা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পক্ষে অবস্থান করতে সিদ্ধান্ত নিতে ভুল দেখিয়েছে।
রাশেদ খান আরও বলেন যে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মধ্যে মৌলিক মতাপত্য পার্থক্য রয়েছে। তিনি বিশ্বাস পোষণ করেন যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শরীয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে, আর জামায়াতে ইসলামী মুখে শরীয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার কথা বললেও তারা আসলে মুনাফেকি রাজনীতি পরিচালন করে। এই পার্থক্যের কারণে দুই দল একসাথে নির্বাচন করতে পারেনি।
লংমার্চের পেছনে জামায়াতের দ্বিচারিতায় জনগণের প্রশ্ন
জাতীয় সংসদে জামায়াত যখন জ্বালানি সংকটকে জাতীয় সংকট হিসেবে উপস্থাপণ করে, তখন তারা আন্তরিকতায় সংকট সমাধানে কাজ করছে বলে দাবি করে। তবে একই সঙ্গে লংমার্চ করছে। এই দ্বিচারিতার পেছনে জনগণের প্রশ্ন আছে। রাশেদ খান প্রশ্ন তুলেছেন, লংমার্চের আসল ভিত্তিটি কী এবং কেন মাত্র সাত মাসের সরকারের বিরুদ্ধে এমন চরম কর্মসূচি পরিষ্কার করা যায়।
তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, আশপাশের রাষ্ট্রগুলোতে তেলের মূল্য বাড়লে বাংলাদেশ যদি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মূল্য সমন্বয় না করে, তাতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো থেকে জ্বালানি তেল পাচারের আশঙ্কা থাকে। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে নতুন কূপ খনন, গ্যাসের সন্ধান এবং নতুন টার্মিনালের কাজ শুরু হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে আশাবাদ জাগাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী আরও বলেন যে আগের তুলনায় এখন লোডশেডিং কম হয়েছে এবং জ্বালানি সংকট যত দিন যাবে তত কমে আসবে। তিনি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টায় সরকারী উদ্যোগের ভূমিকায় আশামহস্ব দৃষ্টিভঙ্গি জানান।

-6ab52b070d326.jpg)


