বলিউডের বাদশাহ শাহরুখ খান শুধু জনপ্রিয়তা ও পর্দার অভিনয়ে নয়, বিনোদন জগতের সর্বোচ্চ সম্পদের অধিকারী হিসেবেও বিশেষভাবে পরিচিত। হুরুন গণমাধ্যমের সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী তাঁর আনুমানিক সম্পদ ১০ হাজার কোটি রুপি। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই অঙ্ক বাংলাদেশি মুদ্রায় ১২ হাজার ৮০০ কোটি টাকারও বেশি। এই হিসাবে তিনি ভারতের সবচেয়ে ধনী অভিনেতা এবং ভারতের ইতিহাসে প্রথম বিলিয়নিয়ার অভিনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
গত বছরের তুলনায় কমেছে আনুমানিক সম্পদ
আগের হিসাবে শাহরুখ খানের সম্পদ ১২ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। নতুন তালিকায় তাঁর সম্পদ প্রায় আড়াই হাজার কোটি রুপি কমে ১০ হাজার কোটি রুপিতে নামানো হয়েছে। সম্পদ কমার পরও তিনি ভারতীয় অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে স্পষ্টভাবে এগিয়ে আছেন। অমিতাভ বচ্চন দ্বিতীয় স্থানে থেকে চার হাজার কোটি রুপি, সালমান খান তৃতীয় স্থানে তিন হাজার কোটি রুপি এবং হৃতিক রোশন চতুর্থ স্থানে দুই হাজার ৫০০ কোটি রুপি সম্পদের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছেন।
সম্পদের পেছনে সিনেমা ও বিনোদন ব্যবসার বড় ভূমিকা
শাহরুখ খানের সম্পদের উৎস শুধু চলচ্চিত্রের অভিনয় নয়। তাঁর ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট বলিউডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম। সেই সঙ্গে ভারতের বাইরে ক্রিকেট ফ্র্যাঞ্চাইজি এবং খেলাধুলা বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ব্যবসাও তাঁর সম্পদে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তিনি আইপিএল দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের সহ-মালিকও বলে জানা যায়।
সাম্প্রতিক সময়ে আমেরিকায় একটি স্টেডিয়াম কেনার প্রসঙ্গও তাঁর বিনোদন ব্যবসার পরিধি কীভাবে বিস্তৃত হচ্ছে তার একটি ইঙ্গিত দেয়। তবে এই ধরনের সম্পদ নির্ধারণে ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান, বিনিয়োগ ও সম্পত্তির আনুমানিক মূল্য বিবেচনা করা হয় বলে হুরুনের তালিকার ঋণযোগ্যতা পূর্ণাঙ্গ নাও হতে পারে। তাই শাহরুখ খানের সম্পদকে আনুমানিক চিত্র হিসেবে বিবেচনা করাই যথাযথ।
এসব সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিনোদন জগতে শাহরুখ খানের বাদশাহি অবস্থান এখনো অল্লক্য। অভিনয়, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, বিনিয়োগ ও ক্রীড়া বাণিজ্য—একাধিক ক্ষেত্রে তাঁর সাফল্যই তাঁকে ভারতীয় অভিনেতাদের মধ্যে সম্পদের শীর্ষে রেখেছে।




-6ab6c786d4aaf.jpg)
