আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতার মাধ্যমে নারীদের ওপর আক্রমণ বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করে বৈশ্বিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, যাদের মধ্যে নারী অধিকার রক্ষাকালীন আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং মানবাধিকার কমিশন অন্তর্ভুক্ত। এই সহিংসতাগুলো মূলত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, অনলাইন হ্যাবিলিটি এবং ডিজিটাল আচরণ ব্যবহার করে নারীদের বিরুদ্ধে স্বজ্ঞানে সহিংসতা পরিষ্কর করা হয়।
প্রযুক্তি আইন ও নীতির গুরুত্ব
বিশ্বব্যাপী আইনশীর্ষক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা রোধে আন্তর্জাতিক স্তরে আইনি ও নীতিগত কাঠামো প্রয়োজন। তিনিনি এ ধরনের আইনগুলোতে নারীদের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরিবর্তনীয় ডাটা সংরক্ষণ এবং অপব্যবহার রোধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকা প্রয়োজন।
বাংলাদেশসহ বিকাশশীল দেশগুলোতে এই সহিংসতার প্রতিবেদন ও তদনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিত ও প্রযুক্তিগত সহায়ত প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। একইসাথে নারীদের ডিজিটাল নিরাপত্তা শিক্ষা ও জাগরূকতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সহিংসতা হ্রাস করা সম্ভব বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এই আহ্বানটি জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের অধিকৃত একটি বিশেষ সভায় উত্থাপিত হয়েছে, যেখানে নারী অধিকার, ডিজিটাল নিরাপত্তা ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা অংশগ্রহণ করেছেন। তিনিনি জানিয়েছেন যে ভবিষ্যতে এই ধরনের সহিংসতা রোধে আন্তর্জাতিক স্তরে একটি প্রতিবেদন ও নীতি ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি করা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো আহ্বান জানিয়েছে যে প্রযুক্তিনির্ভর সহিংসতা রোধে জাত্যন্ত্রগুলোকে তাদের মৌলিক আইন ও মানবাধিকার নিয়ম মেনে চলতে হবে। একইসাথে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম প্রদাতাদের মানুষের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে তিনি নির্দেশ করেন।


