জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শ্রী শেখ হাসিনা। তিনি বিশ্বব্যাপী বিপণন চলমের মধ্যে দিয়ে যাওয়া মহামারী ও জলবায়ু পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন যে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও ঐক্য ছাড়া এই বিশ্বব্যাপী সংকট মোকাবেলা কঠিন হবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান যে, বাংলাদেশ মহামারীর মধ্যে দিয়ে যাওয়া সময়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশ ও স্বাস্থ্য সহযোগিতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশটি তার নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান শেয়ার করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশ মোকাবেলায় সহায়ত করছে। বাংলাদেশ যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে মহামারী ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা ও বিনিময় করছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তব সংকট হিসেবে তিনি এর স্বীকৃতি দিয়ে বলেন যে, এটি শুধু পরিবেশগত নয়, বাস্তবে মানব নিরাপত্তা ও অগ্রগতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। তিনি আহ্বান জানান যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় মানবতাবাদী মূল্যবোধ ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশ নিজস্ব জলবায়ু অনুকূল উপায়ে সংশ্লিষ্ট প্রচেষ্টা চালু করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন যে, বিশ্ব জুড়ে বিষয়বস্তু ও সংস্কৃতির মধ্যে বিভেদ বাড়াতে যে প্রচেষ্টা চলছে তা বন্ধ করতে সকলের মিলে কাজ করা আবশ্যক। তিনি আহ্বান জানান যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশ যুক্ত হয়ে উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও ঐক্য বজায় রাওয়ার দায়িত্ব পালন করবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, শান্তি ও স্থিতিশীলতা ছাড়া আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশ মোকাবেলা কঠিন হবে।
শেষ বারে তিনি বলেন যে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশ সবসময় আগ্রগতি ও মানবতাবাদী মূল্যবোধের পক্ষে আন্দোলন করে আসছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুক্তি করতে পারবে এবং বাংলাদেশ এই পথে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরেন।


