শচীন টেন্ডুলকার ও বিনোদ কাম্বলি— দুজনের ক্রিকেটজীবন আলাদা হলেও শুরুটি হয়েছিল একই স্কুলে। সেখানে দুজন একসঙ্গে বড় হয়েছেন। স্কুলের দিনগুলোতে দুজনের মধ্যে কে বেশি ভালো ক্রিকেটার, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে উত্তরটি ছিল কাম্বলির পক্ষে। ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেবও কাম্বলির প্রতিভাকে শচীনের চেয়ে একটু বেশি বলে বর্ণনা করেছেন।
পরবর্তীতে দুজনের ক্যারিয়ার বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। শচীন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিয়মিত প্রতিযোগিতা করে সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিতি পান। অন্যদিকে কাম্বলি বয়সভিত্তিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে দারুণ সাফল্য পেয়েও আন্তর্জাতিক স্তরে প্রত্যাশামতো এগোতে পারেননি। ভারতের হয়ে তিনি মাত্র ১৭টি টেস্ট ও ১০৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন।
কাম্বলির ক্রিকেট থেকে অবসরের পর তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে বারবার খবর এসেছে। সাম্প্রতিক একটি ভিডিওবার্তায় তিনি একটি বৃদ্ধাশ্রমের কথা বলেন। সেখানে থাকা, সুবিধা ও পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশংসা করলেও তাঁর কথা বলার সময় কিছুটা কষ্ট পাওয়া গেছে বলে দেখা গিয়েছে। ভিডিওতে তিনি জানান, ওই কেন্দ্রে তাঁর নিজের বাড়ির মতো অনুভূত হচ্ছে।
৫৪ বছর বয়সী কাম্বলির শারীরিক অবস্থা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। তাঁর বন্ধু ও প্রাক্তন প্রথম শ্রেণির আম্পায়র মার্কাস কৌতো দাবি করেছেন, মস্তিষ্কে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে তাঁর স্মৃতিশক্তি ও যোগাযোগের সমস্যা হচ্ছে। তিনি জানান, গত ১৮ মাস ধরে এ ধরনের সমস্যা থাকায় কাম্বলি জিনিস মনে রাখতে পারলেও পরে ভুলে যেতে পারেন।
স্বাস্থ্য নিয়ে চলতে থাকা এই দাবিগুলোর বিপরীতে কাম্বলির স্ত্রী আন্দ্রেয়া হিউইট বলেছেন, তাঁর স্বামী ভালো আছেন এবং ছড়ানো তথ্য ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, ‘ঈশ্বরের কৃপায় বিনোদ ভালো আছেন। কে তার স্বাস্থ্য নিয়ে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছে, আমি জানি না।’ তবে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে গুরুতর মূত্রনালির সংক্রমণে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনাটি বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। কাম্বলির এখনকার স্বাস্থ্য ও বাসস্থান নিয়ে পরিষ্কার তথ্যের জন্য পরিবার বা চিকিৎসকদের আরও বক্তব্যের অপেক্ষা করতে হবে।

-6ab75ccf53427.jpg)
-6ab76eae484f1.jpg)

-6ab789124f207.jpg)