ফিফা আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের যাত্রা শুরুতেই বাঁশি বাজিয়েছে। গ্রুপ এ-এর প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার কাছে ৩-০ গোলে হারের পর পয়েন্ট টেবিলের সবার নিচে থাকা হামজা চৌধুরীদের জন্য টুর্নামেন্টের পথ কঠিন হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের গোল ব্যবধান মাইনাস ৩ হওয়ায় এখন থেকেই পরবর্তী দুটি ম্যাচে ভালো ফল করার তাগিদ বেড়ে গেছে।
গ্রুপ এ-তে বাংলাদেশের অবস্থান
বর্তমান পয়েন্ট তালিকায় মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া সমান ৩ পয়েন্ট নিয়ে উপরে রয়েছে। মালয়েশিয়ার গোল ব্যবধান প্লাস ৩ আর ইন্দোনেশিয়ার প্লাস ২। অন্যদিকে সিঙ্গাপুর ও বাংলাদেশ পয়েন্টশূন্য থাকলেও সিঙ্গাপুরের গোল ব্যবধান মাইনাস ২, যেখানে বাংলাদেশের পরিস্থিতি মাইনাস ৩। এই ছন্দের কারণেই আগামী ম্যাচগুলোর প্রতিটি ফল বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সিঙ্গাপুরের ম্যাচেই হবে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত
বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল পর্বে ওঠার সম্ভাবনা টিকে রাখতে হলে এই ম্যাচে হার এড়ানো অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। প্রতিপক্ষ বিচারে সিঙ্গাপুরকে বাংলাদেশের জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাই ম্যাচটিকে বাঁচা মরার লড়াই হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও বাস্তবে এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।
সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে জিততে পারলে বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার আশা জ্বলে থাকবে। পক্ষে হারলে ব্রোঞ্জ ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে না, তবে সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতটি অনেকটাই গোল ব্যবধান এবং অন্য ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করবে। বাংলাদেশের শেষ গ্রুপ ম্যাচ ১ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে।
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতিই মূল লক্ষ্য
বাংলাদেশের কোচ থমাস ডুলি বলেছেন, আসিয়ান কাপে টিকে থাকা নয়, শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জনই দলের মূল লক্ষ্য। মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দলের বিপক্ষে মুখোমুখি হয়ে আগামী নভেম্বরে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য প্রস্তুতি নেওয়াই তাঁদের বড় উদ্দেশ্য। তবে টুর্নামেন্টের ফলাফলে পুনরায় দাঁড়ানোর জন্য এখনই প্রতি ম্যাচে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীর মোকাবিলা প্রয়োজন।
-6ab789124f207.jpg)


-6ab75ccf53427.jpg)

