রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১২ই আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

খেলাধুলা

ক্যাম্প ন্যুর ২ হাজার ভিআইপি আসন বিক্রির চুক্তিতে বার্সেলোনার আশা ৭০০ মিলিয়ন ইউরো

সংস্কারিত ক্যাম্প ন্যুর ২ হাজার ভিআইপি আসন দীর্ঘমেয়াদি লাইসেন্সের আওতায় বিক্রি করে মোট ৭০০ মিলিয়ন ইউরো আয়ের আশা করছে বার্সেলোনা। চুক্তি অনুযায়ী ক্রেতাদের শুরুতেই টাকা পরিশোধ করতে হবে, তবে বার্সেলোনা পুরো অঙ্কটি চুক্তির মেয়াদে পাবে।

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৫২ এএমসর্বশেষ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:৫২ এএম
ক্যাম্প ন্যুর ২ হাজার ভিআইপি আসন বিক্রির চুক্তিতে বার্সেলোনার আশা ৭০০ মিলিয়ন ইউরো

আর্থিক সংকট ও স্টেডিয়াম সংস্কারের বিশাল ব্যয় সামলাতে ভিআইপি আসন বিক্রির নতুন উদ্যোগ নিয়েছে লা লিগার ক্লাব বার্সেলোনা। সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে সাজানো ক্যাম্প ন্যুর ২ হাজারটি ভিআইপি আসন ১৫ ও ৩০ বছর মেয়াদি লাইসেন্সের আওতায় বিক্রি করে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ইউরো আয়ের আশা করছে ক্লাবটি। একই সঙ্গে দর্শকদের আসা, মাঠধারুদের সুবিধা এবং সদস্য হিসেবে ক্যাম্প ন্যুর সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্ক রক্ষার সুযোগও থাকবে ক্রেতাদের কাছে।

বার্সেলোনার পরিকল্পনা অনুযায়ী, সংঘাটিত আসনগুলোর বিক্রি সম্পন্ন হবে আগামী আড়াই মৌসুমের মধ্যে। সংশ্লিষ্ট চুক্তিতে ক্রেতাকে লাইসেন্সের শুরুতেই সম্পূর্ণ কর্তনযোগ্য অঙ্ক পরিশোধ করতে হবে। তবে ৭০০ মিলিয়ন ইউরো হঠাৎ একবারেই বার্সেলোনার ব্যালেন্সে জমা হবে না; বিভিন্ন মেয়াদের চুক্তির শর্ত অনুযায়ী চুক্তির পুরো সময় জুড়ে ক্লাবটি ধাপে ধাপে এই রাজস্ব পাবে।

ভিআইপি আসন বাণিজ্য বার্সেলোনার কাছে নতুন ধারণা নয়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ক্লাবটি সর্বোচ্চ ৩০ বছরের লাইসেন্সে ৪৭৫টি আসনের চুক্তি করেছিল, যার মোট মূল্য ছিল ১০০ মিলিয়ন ইউরো। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার ভিআইপি আসন বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির মাধ্যমে বার্সেলোনা ৩৮০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি আয় নিশ্চিত করেছে। তবে সব আসনের লাইসেন্স মেয়াদ এক নয়।

নতুন বিক্রি কর্মসূচি বার্সেলোনার জন্য কেবল স্বল্পমেয়াদি তহবিল সংগ্রহের কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে না। লাইসেন্সধারী সদস্য ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ক্লাবটির দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক তৈরি হতে পারে, যা ভবিষ্যতে আয় ও সদস্য-ভিত্তিক আয়ের ধারায় নতুন সম্ভাবনা যোগ করতে পারে। তবে চূড়ান্ত বাণিজ্যিক ফলাফল নির্ভর করবে আসন বিক্রির হার এবং চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত শর্তের ওপর।

সব ঠিকঠাক চললে ক্যাম্প ন্যুর সংস্কারকাজ ২০২৮-২৯ মৌসুমে পুরোপুরি শেষ হওয়ার কথা। সেই পরিকল্পনার সঙ্গে মিলিয়ে নতুন ভিআইপি বাণিজ্যকে বার্সেলোনার আর্থিক কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রত্যাশিত অর্থ আসার মেয়াদ অনেক দীর্ঘ হলেও বিনা বিলম্বে প্রাপ্ত চুক্তিভিত্তিক অর্থ সংস্কার ও অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা সম্ভব হওয়াই বার্সেলোনার কৌশলগত সুবিধা।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📬 প্রতিদিনের বাছাইকৃত খবর সরাসরি ইমেইলে পান

আমাদের বিনামূল্যে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সাবস্ক্রাইব করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ