শনিবার দিনে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) একটি জনসচেতনতামূলক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানের মাধ্যমে নগরবাসীদের মধ্যে ডেঙ্গু রোগের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ পরিষ্কার রাখার হাতে-কলমে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। অভিযানে বিসিসি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, সচিব রুম্পা শিকদার, নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল বাশার এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসকের সংকল্পমূলক বক্তব্য
অভিযানের সময় বিসিসি প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল সরকারি পদক্ষেপই যথেষ্ট নয়, সর্বসাধারণের ব্যক্তিগত সচেতনতাও অত্যন্ত জরুরি। তিনি আরও বলেন, বাসাবাড়ির ফুলের টব, ডাবের খোসা, ব্যবহৃত পাত্র বা পরিত্যক্ত টায়ারে যেন পানি জমে না থাকে—সেদিকে খেয়াল রাখা প্রতিটি নাগরিকেরই দায়িত্ব। তিনি নাগরিকদের নিজ নিজ আঙিনা ও চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি ডেঙ্গুর বংশবৃদ্ধি রোধে সচেতন থাকার সুনির্দিষ্ট আহ্বান জানান।
নাগরিকদের কাছে প্রধান বার্তা
প্রশাসক নগরবাসীদের 'নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখি, ডেঙ্গুমুক্ত দেশ গড়ি' এই স্লোগানকে দৈনন্দিন জীবনে মেনে চলার অনুরোধ জানান। তিনি পুনরাবৃত্তি করেন, ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে কেবল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগেই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়—বরং প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণই সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি। পরিবেশ পরিষ্কার রাখা ও জুঁইয়ের প্রজন্মস্থল নষ্ট করা নিজের হাতে নেওয়ার বিষয়ে সকলকে সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অভিযানের পরিবেশ ও পরিচালনা
অভিযানে বিসিসি সচিব রুম্পা শিকদার, নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল বাশার এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস সহ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ে নাগরিকদের নিজ নিজ আঙিনা ও চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয়। কর্মকর্তারা জানান, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির কাজেও বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে ডেঙ্গু রোগের হাতিয়ার হিসেবে পরিচিত জুঁইয়ের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।
বরিশালসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের গণমানুষের নির্ভরযোগ্য গণমাধ্যম আগৈলঝাড়া পোস্ট এই সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদ, মতামত বা বিজ্ঞাপনের বিষয়ে আগৈলঝাড়া, বরিশাল, বাংলাদেশ থেকে লিখতে পারেন।

