রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১২ই আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেইলি বরিশাল

দক্ষিণাঞ্চলের শীর্ষস্থানীয় ও বস্তুনিষ্ঠ দৈনিক পত্রিকা

বিনোদন

পেশাজীবীদের জরিপে একুশ শতকের শীর্ষ সিরিজ ‘ব্রেকিং ব্যাড’

৫১৬ জন টেলিভিশন পেশাজীবীর ভোটে ২০০০ সালের পর প্রচারিত সেরা সিরিজ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ভিন্স গিলিগানের ‘ব্রেকিং ব্যাড’। তালিকা প্রকাশের পর সাধারণ দর্শক ও অ্যানিমেশনের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

র
রাহুল হাসান· প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:১৩ এএমসর্বশেষ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:১৩ এএম
পেশাজীবীদের জরিপে একুশ শতকের শীর্ষ সিরিজ ‘ব্রেকিং ব্যাড’

টেলিভিশন পেশাজীবীদের মধ্যে একুশ শতকের সেরা ধারাবাহিক হিসেবে ‘ব্রেকিং ব্যাড’-কে নির্বাচন করেছে ‘নিউইয়র্ক টাইমস’। ২৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত তালিকায় সিরিজটি প্রথম স্থান পেয়েছে। জরিপে অংশ নিয়েছেন ৫১৬ জন অভিনেতা, লেখক, প্রযোজক, শোরানার ও টেলিভিশন নির্বাহী। ২০০০ সালের ১ জানুয়ারির পর প্রচারিত সিরিজগুলোর মধ্য থেকে প্রত্যেককে সর্বোচ্চ ১০টি পছন্দের নাম দিতে বলা হয়েছিল।

ভিন্স গিলিগানের তৈরি ক্রাইম ড্রামা ‘ব্রেকিং ব্যাড’ ২০০৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রচারিত হয়েছিল। সিরিজটির কেন্দ্রীয় চরিত্র ওয়াল্টার হোয়াইট, যিনি পেশায় রসায়নের শিক্ষক। ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া এক শান্ত স্বভাবের শিক্ষক ধীরে ধীরে মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন এবং কুখ্যাত মেথামফেটামিন তৈরিকারী ‘হাইজেনবার্গ’-এ পরিণত হন।

ওয়াল্টারের এই রূপান্তরে ব্রায়ান ক্র্যানস্টনের অভিনয় বড় পরিসরে প্রশংসিত হয়েছে। একজন সাধারণ শিক্ষক থেকে নৈতিকভাবে অন্যক্রম ও অপরাধের জগতে প্রবেশকারী ভয়ংকর চরিত্রে পরিণত হওয়ার বিষয়টি টেলিভিশনের অন্যতম স্মরণীয় অভিনয় হিসেবে আলোচিত। অ্যারন পলের অভিনীত জেসি পিংকম্যান চরিত্রও গল্পের আবেগ ও মানবিক দ্বন্দ্বকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে। নৈতিক অবক্ষয়, অপরাধ এবং পারিবারিক সম্পর্কের সংঘাতকে ধারাবাহিকভাবে অগ্রসর করা সিরিজটিকে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা এনে দিয়েছে।

তালিকায় ‘ব্রেকিং ব্যাড’-এর পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দেয়াল্ড বুয়ারের ‘দ্য ওয়্যার’। তৃতীয় থেকে পঞ্চম স্থানে স্থান পেয়েছে যথাক্রমে ‘ম্যাড মেন’, ‘সাকসেশন’ ও ‘ফ্লিব্যাগ’। শীর্ষ দশের বাকি সিরিজগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘গেম অব থ্রোনস’, ‘ভিপ’, ‘৩০ রক’, ‘কার্ব ইয়োর এনথুজিয়াজম’ এবং ‘আটলান্টা’। পুরো তালিকা গঠনে শুধু নাটক নয়, বাস্তবভিত্তিক শো, তথ্যচিত্র, টক শো এবং ইউটিউব সিরিজকেও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

তবে ফলাফল প্রকাশের পর কিছু বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলে ওঠেছে। সাধারণ দর্শকের পরিবর্তে টেলিভিশন শিল্পের পেশাজীবীদের মতামতের ভিত্তিতে জরিপ পরিচালিত হওয়ায় সেই অংশ নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। অ্যানিমেশন সিরিজের প্রায় অনুপস্থিতিও চমকে দিয়েছে। আর সবচেয়ে বেশি আলোচনা হয়েছে ‘দ্য সোপ্রানোস’-কে তালিকায় না দেখার কারণে। ১৯৯৯ সালে প্রথম প্রচারিত হওয়ায় সেই সিরিজটি ২০০০ সালের পর প্রচারিত কাজের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পায়নি।

📢এই সংবাদটি শেয়ার করুন

📬 প্রতিদিনের বাছাইকৃত খবর সরাসরি ইমেইলে পান

আমাদের বিনামূল্যে নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন

সাবস্ক্রাইব করুন

📢 আপনিও হোন পাঠক সাংবাদিক!

আপনার এলাকার যেকোনো খবর, সমস্যা বা ভিডিও সরাসরি আমাদের নিউজ পোর্টালে জমা দিন

সংবাদ পাঠান ↗
র

রাহুল হাসান

প্রতিবেদক

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, ডেইলি বরিশাল। সাংবাদিকতায় ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ